০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১৬ জনের সঙ্গে পোপের স্বাক্ষাৎ

epa06361476 Pope Francis (C-R) prays with Rohingya refugees during an Interreligious and Ecumenical meeting for peace at the garden of the Archbishop in Dhaka, Bangladesh, 01 December 2017. Pope Francis' visit in Myanmar and Bangladesh runs from 27 November to 02 December 2017. EPA-EFE/ETTORE FERRARI

বাংলাদেশে সফররত পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১৬জনের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেছেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে (আজ) ঢাকায় তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় এই প্রথম তিনি রোহিঙ্গাদের নাম উচ্চারণ করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সীমান্ত এলাকার শিবির থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা ১৬জন শরণার্থীর সঙ্গে সাক্ষতের পর পোপ বলেন, ‘আপনাদের যারা নির্যাতন করেছে, আঘাত দিয়েছে , আমি আজ তাদের হয়ে ক্ষমা চাই। আজ সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতি রোহিঙ্গাদের মাঝেও। আপনাদের বড় হৃদয়ের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করি’।

এর আগে মিয়ানমার সফরের সময় তিনি ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি কৌশলে এড়িয়ে যান। এতে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ‘রোহিঙ্গা’ সম্বোধন না করায় পোপের সমালোচনা করেন। জাতিসংঘ এই নিপীড়নকে জাতিগত নিধন হিসেবে উল্লেখ করে।

তবে, পোপ মিয়ানমার যাওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের আপন ভাই- বোন বলে সম্বোধন করেন। যার কারণে তার সফরের আগে মিয়ানমান সরকার পোপকে শব্দটি না বলার অনুরোধ জানায়।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমার সফরকালে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করতে পোপের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কার্ডিনাল চার্লস মং বো। মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াংগুনের আর্চবিশপের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করলে সেখানে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে আজ তারেক রহমানের জনসভা

রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১৬ জনের সঙ্গে পোপের স্বাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ০৯:২১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশে সফররত পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১৬জনের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেছেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে (আজ) ঢাকায় তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় এই প্রথম তিনি রোহিঙ্গাদের নাম উচ্চারণ করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সীমান্ত এলাকার শিবির থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা ১৬জন শরণার্থীর সঙ্গে সাক্ষতের পর পোপ বলেন, ‘আপনাদের যারা নির্যাতন করেছে, আঘাত দিয়েছে , আমি আজ তাদের হয়ে ক্ষমা চাই। আজ সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতি রোহিঙ্গাদের মাঝেও। আপনাদের বড় হৃদয়ের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করি’।

এর আগে মিয়ানমার সফরের সময় তিনি ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি কৌশলে এড়িয়ে যান। এতে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ‘রোহিঙ্গা’ সম্বোধন না করায় পোপের সমালোচনা করেন। জাতিসংঘ এই নিপীড়নকে জাতিগত নিধন হিসেবে উল্লেখ করে।

তবে, পোপ মিয়ানমার যাওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের আপন ভাই- বোন বলে সম্বোধন করেন। যার কারণে তার সফরের আগে মিয়ানমান সরকার পোপকে শব্দটি না বলার অনুরোধ জানায়।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমার সফরকালে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করতে পোপের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কার্ডিনাল চার্লস মং বো। মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াংগুনের আর্চবিশপের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করলে সেখানে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে বলে জানান তিনি।