০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারে এইডস ছড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা

আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে কক্সবাজারে ৫৫৩ জন এইডস রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আক্রান্তদের বেশির ভাগ রোহিঙ্গা। এ কারণে এইডস ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয়রা।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের এইচআইভি ট্রিটমেন্ট সেন্টার এবং ইউনিসেফ পরিচালিত প্রিভেনশন অফ মাদার টু চাইল্ড ট্রান্সমিশন অব এইচআইভি (পিএমটিসিটি) সেন্টার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানিয়েছে, এইডস আক্রান্তদের মধ্যে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৩২৫ জন, উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২২ জন এবং পিএমটিসিটিতে ১০৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। ২০১৮ সালে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৫৫ জন। গত এক বছরে রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জন হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মহিউদ্দিন বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর থেকে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। বিশেষভাবে স্ক্যান করার মাধ্যমে এইচআইভি পরীক্ষা করা হলে এই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার বেশি আশঙ্কা রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

কক্সবাজারে এইডস ছড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা

প্রকাশিত : ০৭:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯

আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে কক্সবাজারে ৫৫৩ জন এইডস রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আক্রান্তদের বেশির ভাগ রোহিঙ্গা। এ কারণে এইডস ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয়রা।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের এইচআইভি ট্রিটমেন্ট সেন্টার এবং ইউনিসেফ পরিচালিত প্রিভেনশন অফ মাদার টু চাইল্ড ট্রান্সমিশন অব এইচআইভি (পিএমটিসিটি) সেন্টার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানিয়েছে, এইডস আক্রান্তদের মধ্যে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৩২৫ জন, উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২২ জন এবং পিএমটিসিটিতে ১০৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। ২০১৮ সালে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৫৫ জন। গত এক বছরে রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জন হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মহিউদ্দিন বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর থেকে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। বিশেষভাবে স্ক্যান করার মাধ্যমে এইচআইভি পরীক্ষা করা হলে এই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার বেশি আশঙ্কা রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ