০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন, ২০ লাখ টাকা ক্ষতির সম্ভাবনা

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের লালমা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ফিসারীতে দুর্বৃত্তরা বিষ দিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ভোরে এঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফিসারীর মালিক মোহাম্মদ আলী জানান, ১ একর জমিতে ফিসারী দিয়ে প্রায় ৩ বছর ধরে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করে আসছি। আমার ৩ টি ফিসারীতে শিং মাছ ছিল দেড় লাখ,পাবদা মাছ ৭৫ হাজার এবং অনেক বাংলা মাছ ছিল। তিনি বলেন,সারা রাত পুকুর পাড়েই ছিলাম, কেবল রাত সাড়ে ৩ টার দিকে মুড়ি ও পানি খাওয়ার জন্য বাড়িতে যাই।একটু পর আমার ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাক ফিসারীতে আসে। এসে দেখে ফিসারীর সব মাছ ভেসে যাচ্ছে।
তখন এলাকার লোকজন এসে দেখে সব মাছ মরে গেছে। ফিসারীর মালিক মুহাম্মদ অালী অারো জানান, ফিসারীর পাশে ধান ক্ষেতে পাওয়া গেছে ৩ টি ষ্টিক।যার মধ্যে থাকে পানির গ্যাসের ট্যাবলেট। এই গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে ফিসারীর পানির গ্যাস চলাচল বন্ধ করে দিয়ে সব মাছ মেরে ফেলেছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুছ ছালাম মন্ডল জানান, আমি খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল গিয়ে দেখেছি। বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখজনক।
স্থানীয় সাংবাদিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে বলেন,সকালে ফিসারীর মাছ গুলো জেলে এবং এলাকার শত শত লোকজনের সহায়তায় পুকুর থেকে উঠানো হয়েছে।তবে কে বা কারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তা কেউ বলতে পারছেনা। তবে ফিসারীর মালিক ও তার পরিবারের লোকজন ধারণা করছেন পূর্বশত্রুতার জেরে এমন কাজ করতে পারে। এই নেক্কারজনক মাছ নিধনের সঠিক বিচার দাবি করছেন তারা।

তারাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন,এঘটনা জানার সাথে সাথেই এসআই শাখাওয়াত হোসেন ফোর্স নিয়ে ফিসারী পরিদর্শন করেন। অভিযোগ পেলে সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন, ২০ লাখ টাকা ক্ষতির সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের লালমা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ফিসারীতে দুর্বৃত্তরা বিষ দিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ভোরে এঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফিসারীর মালিক মোহাম্মদ আলী জানান, ১ একর জমিতে ফিসারী দিয়ে প্রায় ৩ বছর ধরে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করে আসছি। আমার ৩ টি ফিসারীতে শিং মাছ ছিল দেড় লাখ,পাবদা মাছ ৭৫ হাজার এবং অনেক বাংলা মাছ ছিল। তিনি বলেন,সারা রাত পুকুর পাড়েই ছিলাম, কেবল রাত সাড়ে ৩ টার দিকে মুড়ি ও পানি খাওয়ার জন্য বাড়িতে যাই।একটু পর আমার ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাক ফিসারীতে আসে। এসে দেখে ফিসারীর সব মাছ ভেসে যাচ্ছে।
তখন এলাকার লোকজন এসে দেখে সব মাছ মরে গেছে। ফিসারীর মালিক মুহাম্মদ অালী অারো জানান, ফিসারীর পাশে ধান ক্ষেতে পাওয়া গেছে ৩ টি ষ্টিক।যার মধ্যে থাকে পানির গ্যাসের ট্যাবলেট। এই গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে ফিসারীর পানির গ্যাস চলাচল বন্ধ করে দিয়ে সব মাছ মেরে ফেলেছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুছ ছালাম মন্ডল জানান, আমি খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল গিয়ে দেখেছি। বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখজনক।
স্থানীয় সাংবাদিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে বলেন,সকালে ফিসারীর মাছ গুলো জেলে এবং এলাকার শত শত লোকজনের সহায়তায় পুকুর থেকে উঠানো হয়েছে।তবে কে বা কারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তা কেউ বলতে পারছেনা। তবে ফিসারীর মালিক ও তার পরিবারের লোকজন ধারণা করছেন পূর্বশত্রুতার জেরে এমন কাজ করতে পারে। এই নেক্কারজনক মাছ নিধনের সঠিক বিচার দাবি করছেন তারা।

তারাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন,এঘটনা জানার সাথে সাথেই এসআই শাখাওয়াত হোসেন ফোর্স নিয়ে ফিসারী পরিদর্শন করেন। অভিযোগ পেলে সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ