০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ন্যায্যমূল্যে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা শুরু

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ন্যায্যমূল্যে ধান ক্রয় শুরু হয়েছে। আড়াই হাজার কৃষকদের কাছ থেকে ৫১ মেট্রিক টন আমন ধান ২৬ টাকা কেজি ধরে ক্রয় করছে সরকার। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা ধান বিক্রি শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা আক্তার রুক্সী। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রাজীব চন্দ্র রায়, খাদ্য পরিদর্শক ছালেহ উদ্দিন ভূঁইয়া, সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নুরুল হুদা, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জামশেদ আলম প্রমুখ।

ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রয় করতে পারায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে হাসি ফুটেছে। কার্ডধারী প্রতি কৃষক সর্বোচ্চ এক টন পর্যন্ত চলতি মৌসুমের আমন ধান বিক্রি করতে পারবেন। আগামি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধান বিক্রি চলবে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ন্যায্যমূল্যে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা শুরু

প্রকাশিত : ০৬:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ন্যায্যমূল্যে ধান ক্রয় শুরু হয়েছে। আড়াই হাজার কৃষকদের কাছ থেকে ৫১ মেট্রিক টন আমন ধান ২৬ টাকা কেজি ধরে ক্রয় করছে সরকার। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা ধান বিক্রি শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা আক্তার রুক্সী। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রাজীব চন্দ্র রায়, খাদ্য পরিদর্শক ছালেহ উদ্দিন ভূঁইয়া, সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নুরুল হুদা, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জামশেদ আলম প্রমুখ।

ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রয় করতে পারায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে হাসি ফুটেছে। কার্ডধারী প্রতি কৃষক সর্বোচ্চ এক টন পর্যন্ত চলতি মৌসুমের আমন ধান বিক্রি করতে পারবেন। আগামি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধান বিক্রি চলবে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান