মাসুমা রহমান নাবিলা। একাধারে তিনি উপস্থাপক, মডেল এবং অভিনেত্রী। অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ব্যবসাসফল ‘আয়নাবাজি’ ছবিতে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি। এই ছবিই তার প্রথম ছবি। ছবিতে চঞ্চল চৌধুরীর সাথে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন নাবিলা।
২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি দর্শক-সমালোচক উভয়ের কাছেই প্রশংসিত হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনী ও পুরস্কৃত হয়।
জীবনের প্রথম ছবির প্রসঙ্গে নাবিলা বলেন, ‘‘খুবই ইন্টারেস্টিং কিছু ফ্যাক্টস আমি মাঝে মাঝেই পড়ি ফেসবুক আর এখানে-ওখানে, নাবিলা ‘আয়নাবাজি’-তে এত এত টাকা নিয়েছে। চঞ্চল চৌধুরী এত টাকা নিয়েছেন। একটা জায়গায় গিয়ে একবার মজার একটা তথ্য শুনলাম যে, আমি নাকি এই ছবিতে অভিনয় করার জন্য ৬৫ লাখ টাকা নিয়েছি! অ্যান্ড সাম পিপল ইন ফ্যাক্ট বিলিভ দ্যাট আমি নিয়ে থাকতেই পারি।’’
‘‘বাট ইটস নট ট্রু অ্যাট অল। সত্যি কথা হচ্ছে- ‘আয়নাবাজি’-তে অভিনয়ের জন্য আমি ১ টাকাও নিইনি। ছবিটিতে সাইন করার সময়ই তাদের আমি বলেছিলাম, আমি আসলে এটাকে একটা লার্নিং প্রসেস হিসেবে দেখছি। অ্যাট দ্য সেম টাইম আমি জানতাম যে, এই প্রসেসটা আমি অনেক এঞ্জয় করব। এবং সেটাই হয়েছে। ৩ মাস ‘আয়নাবাজি’র শুটিংয়ে আমি এতকিছু শিখেছি, এতকিছু পেয়েছি যে, ওটা কোনোভাবেই টাকা দিয়ে পাওয়া যাবে না বা টাকার হিসেবে আমি আনতে পারব না। অ্যান্ড পোস্ট ‘আয়নাবাজি’ও আই গট সাম রিকগনিশন, লটস অব লাভ।’’
“এই যে সবার এত ভালোবাসা আর লার্নিং প্রসেস- এগুলো তো টাকা দিয়ে পাওয়া যায় না। এজন্যই আই নেভার ক্লেইমড এনি মানি ওর নাথিং লাইক দ্যাট- ‘আয়নাবাজি’-তে অভিনয়ের জন্য আমি কখনোই কোনো টাকা চাইনি। এটা নিয়ে আমার কোনো আফসোসও নাই। অনেকেই যখন বলে যে অমিতাভ ভাই কি আমাকে কোনোকিছু গিফট করেছে? আমি বলি ফিল্মটাই তো গিফট করেছে আমাকে!’’


























