বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সার্কাস শিল্প নিয়ে নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র ‘বিউটি সার্কাস’। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পায় সিনেমাটি। ২০১৬ সালে ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় এর দৃশ্যধারণের কাজ।
এরপর চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি ছবিটি। আদৌ কি মুক্তি মিলবে ছবিটির? এমন প্রশ্ন অনেকের। তবে নির্মাতা জানালেন আসছে বৈশাখে ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে।
দু্ই বাংলার ব্যস্ত অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত ছবিটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা মাহমুদ দিদার। এ নির্মাতা বলেন, বর্তমানে ছবিটির ডাবিংয়ের কাজ চলছে। কয়েকদিনের মধ্যে আশা করছি ডাবিং শেষ হবে। এরপর ছবিটি সেন্সরে জমা দেয়া হবে এক মাসের মধ্যেই। সব ঠিক থাকলে বাংলা নববর্ষে ছবিটি মুক্তি দেয়ার ইচ্ছা আছে।
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আছে জয়ার। তবে এবারই প্রথম সার্কাস কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ২০১৬ সালে ছবিটির শুটিং শুরুর পর বিভিন্ন কারণে মাঝপথে বন্ধ ছিল। অনেকদিন আগে এ ছবির টিজারও প্রকাশ পেয়েছিল।
এক মিনিট ১৫ সেকেন্ডের টিজারে জয়াকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে দেখা যায় সার্কাসের প্যান্ডেলে। তখন টিজারের লিংক অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করে জয়া আহসান লিখেছিলেন, শিগগির সিনেমা হলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বিউটি সার্কাস। কিন্তু সেই শিগগিরই আর দ্রুত হয়নি। অবশেষে আবারো পরিচালক জানালেন মুক্তির কথা।
পরিচালক বৈশাখে ‘বিউটি সার্কাস’ মুক্তি দেয়ার কথা বললেও আসলে সে সময়ে ছবিটি মুক্তি পাবে কিনা সেটিও অনিশ্চিত। তবে ছবিটি নির্মাণে অনেক বেশি সময় ব্যয় করে ফেলায় প্রযোজক-কলাকুশলী ও সরকারী কর্মকর্তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
অনেকে বিরক্তও হয়েছেন। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি ছবিটি মুক্তি দেয়া হয় তাহলেই হয়তো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবেন এ সিনেমার সংশ্লিষ্টরা।
এ ছবির শুটিং হয়েছে নওগাঁ ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে। জয়া আহসান ছাড়াও বিউটি সার্কাসে অভিনয় করেছেন এবিএম সুমন, ফেরদৌস, তৌকীর আহমেদ, শতাব্দী ওয়াদুদসহ অনেকে। সরকারি অনুদানের পাশাপাশি ছবিটির সহযোগী প্রযোজক ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























