০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

আনুষ্ঠানিক পর্দা উঠছে শনিবার

মহা আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। শনিবার (১১ জানুয়ারি) পর্দা উঠছে অষ্টাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

উদ্বোধনী চলচ্চিত্র ‘উইন্ডো টু দ্য সি’। স্পেন ও গ্রিসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল জিমেনেজ। উৎসবে উপস্থিত থাকবেন তিনি এবং এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগে জুরির দায়িত্ব পালন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরই চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক প্রতিষ্ঠান রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উৎসব কমিটির চেয়ারপারসন কিশওয়ার কামাল, উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল, উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য মফিদুল হক, ম. হামিদ, ড. নাজমুল এ কলিমুল্লা এবং উৎসব কমিটির প্রধান প্রোগ্রামার জোরে জামালি।

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’- স্লোগান সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র উৎসব-২০২০। বরাবরের মতোই এবারের উৎসবেও এশিয়ান ফিল্ম প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিল্ড্রেন ফিল্মস, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেন্স ফিল্ম মেকার সেকশনে ৭৪টি দেশের ২২০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের ২২০টির মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য (৭০ মিনিটের বেশি) চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১১৭, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১০৩টি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আছে ২৬ যার মধ্যে ১৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন এবং ৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য।

উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর স্থানসমূহ :

জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা মিলনায়তন, অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন, মধুমিতা সিনেমা হল ও স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা সিটি ও সীমান্ত স্কয়ার।

চলচ্চিত্র দেখার নিয়মাবলি
১. জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন : সকাল ১০টা থেকে চলবে শিশুতোষ চলচ্চিত্র। এ ক্ষেত্রে শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও আসতে পারবেন। এছাড়া সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বেলা ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেটমূল্য ৫০ টাকা।

২. কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তন : এখানে সকাল ১০টা থেকে শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। যেখানে অভিভাবকরাও শিশুদের সঙ্গে এই চলচ্চিত্রগুলো বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বেলা ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেট মল্য ৫০ টাকা।

৩. জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন : এই মিলনায়তনের সব প্রদর্শনী সবাই বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে এলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।

৪. অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন : এখানকার প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে এলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।

৫. শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা : এখানকার প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে এলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।

৬. স্টার সিনেপ্লেক্স ও মধুমিতা সিনেমা হল : এখানে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রদর্শনীর বিনিময়ে দর্শকরা উৎসবের চলচ্চিত্রগুলো উপভোগ করতে পারবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাসভাড়া কত বাড়বে জানা যাবে বৃহস্পতিবার

আনুষ্ঠানিক পর্দা উঠছে শনিবার

প্রকাশিত : ০৪:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০

মহা আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। শনিবার (১১ জানুয়ারি) পর্দা উঠছে অষ্টাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

উদ্বোধনী চলচ্চিত্র ‘উইন্ডো টু দ্য সি’। স্পেন ও গ্রিসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল জিমেনেজ। উৎসবে উপস্থিত থাকবেন তিনি এবং এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগে জুরির দায়িত্ব পালন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরই চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক প্রতিষ্ঠান রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উৎসব কমিটির চেয়ারপারসন কিশওয়ার কামাল, উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল, উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য মফিদুল হক, ম. হামিদ, ড. নাজমুল এ কলিমুল্লা এবং উৎসব কমিটির প্রধান প্রোগ্রামার জোরে জামালি।

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’- স্লোগান সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র উৎসব-২০২০। বরাবরের মতোই এবারের উৎসবেও এশিয়ান ফিল্ম প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিল্ড্রেন ফিল্মস, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেন্স ফিল্ম মেকার সেকশনে ৭৪টি দেশের ২২০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের ২২০টির মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য (৭০ মিনিটের বেশি) চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১১৭, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১০৩টি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আছে ২৬ যার মধ্যে ১৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন এবং ৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য।

উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর স্থানসমূহ :

জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা মিলনায়তন, অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন, মধুমিতা সিনেমা হল ও স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা সিটি ও সীমান্ত স্কয়ার।

চলচ্চিত্র দেখার নিয়মাবলি
১. জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন : সকাল ১০টা থেকে চলবে শিশুতোষ চলচ্চিত্র। এ ক্ষেত্রে শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও আসতে পারবেন। এছাড়া সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বেলা ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেটমূল্য ৫০ টাকা।

২. কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তন : এখানে সকাল ১০টা থেকে শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। যেখানে অভিভাবকরাও শিশুদের সঙ্গে এই চলচ্চিত্রগুলো বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বেলা ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেট মল্য ৫০ টাকা।

৩. জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন : এই মিলনায়তনের সব প্রদর্শনী সবাই বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে এলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।

৪. অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন : এখানকার প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে এলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।

৫. শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা : এখানকার প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে এলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।

৬. স্টার সিনেপ্লেক্স ও মধুমিতা সিনেমা হল : এখানে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রদর্শনীর বিনিময়ে দর্শকরা উৎসবের চলচ্চিত্রগুলো উপভোগ করতে পারবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ