০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬

গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য মেলা শুরু বুধবার

তৈরি পোশাক খাতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম বা গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্যের পোশাক প্রস্ততকারকদের কাছে তুলে ধরতে দশমবারের মতো গার্মেন্ট এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং এক্সপজিশন (গ্যাপেক্সপো)-২০২০ শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ জানুয়ারি (বুধবার)।

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত চার দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ), এএসকে ট্রেড এ্যান্ড এক্সিবিশন প্রা. লিমিটেড এবং জাকারিয়া ট্রেড এ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে মেলার আয়োজন করছে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আয়োজকরা জানান, এবারের আয়োজনে ২০টি দেশের ২৭০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনিশেয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ও ইতালি। এতে দেশী-বিদেশী রিসোর্স পারসনরা প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

আরও জানা যায়, গার্মেন্টক ও গ্যাপেক্সপো প্রদর্শনীতে পোশাক খাতের সরঞ্জাম ও মোড়কীকরণ সামগ্রী তৈরির যন্ত্র, সেলাই মেশিন, এমব্রয়ডারি, ডাইং, প্রিন্টিং কাটিং, ক্যাড-ক্যাম, স্প্রেডিং যন্ত্র প্রদর্শন করবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিজিএপিএমইএ’র সভাপতি আব্দুল কাদের খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্যের অবদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে দেশীয় উদ্যোক্তারা গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্যের ৯৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

উদ্যোক্তাদের অদম্য সাহস আর পরিশ্রমের কারণে আমরা সরাসরি গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য রফতানি করছি। সরকারী সহায়তা পেলে এ শিল্প রপ্তানীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারের আয়োজনে সর্বশেষ প্রযুক্তিতে উৎপাদিত পণ্যসমূহ প্রদর্শন করা হবে। পণ্যের পাশাপাশি আধুনিক মেশিন ও যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করা হবে। এর মাধ্যমে এ খাতের ব্যবসায়ীরা সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা নিতে পারবে। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে পণ্য প্রস্তুতকারক ও ক্রেতাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হবে, যা এ শিল্পকে নতুন মাত্রা দিবে।

এছাড়াও জানা যায়, প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ, মোড়কিকরণ এবং লেবেল, জিপার, ট্যাগ, ট্যাপ, থ্রেড, রিবন, বাটন, রিভেট, লেইস, হুক, ট্রান্সফার ফিল্ম, পেপার, ইঙ্ক ইত্যাদিসহ সংশ্লিষ্ট মেশিনারি তুলে ধরবে।

সূত্র মতে, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রচ্ছন্ন (ডিমএক্সপোর্ট) রপ্তানি করে এ খাতের উদ্যোক্তারা আয় করেন ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছর ছিল ৭ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে সরাসরি গার্মেন্টস এক্সেসরিজ রপ্তানি হয়েছে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

স্বামীর কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী

গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য মেলা শুরু বুধবার

প্রকাশিত : ০৯:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২০

তৈরি পোশাক খাতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম বা গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্যের পোশাক প্রস্ততকারকদের কাছে তুলে ধরতে দশমবারের মতো গার্মেন্ট এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং এক্সপজিশন (গ্যাপেক্সপো)-২০২০ শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ জানুয়ারি (বুধবার)।

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত চার দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ), এএসকে ট্রেড এ্যান্ড এক্সিবিশন প্রা. লিমিটেড এবং জাকারিয়া ট্রেড এ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে মেলার আয়োজন করছে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আয়োজকরা জানান, এবারের আয়োজনে ২০টি দেশের ২৭০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনিশেয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ও ইতালি। এতে দেশী-বিদেশী রিসোর্স পারসনরা প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

আরও জানা যায়, গার্মেন্টক ও গ্যাপেক্সপো প্রদর্শনীতে পোশাক খাতের সরঞ্জাম ও মোড়কীকরণ সামগ্রী তৈরির যন্ত্র, সেলাই মেশিন, এমব্রয়ডারি, ডাইং, প্রিন্টিং কাটিং, ক্যাড-ক্যাম, স্প্রেডিং যন্ত্র প্রদর্শন করবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিজিএপিএমইএ’র সভাপতি আব্দুল কাদের খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্যের অবদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে দেশীয় উদ্যোক্তারা গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্যের ৯৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

উদ্যোক্তাদের অদম্য সাহস আর পরিশ্রমের কারণে আমরা সরাসরি গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য রফতানি করছি। সরকারী সহায়তা পেলে এ শিল্প রপ্তানীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারের আয়োজনে সর্বশেষ প্রযুক্তিতে উৎপাদিত পণ্যসমূহ প্রদর্শন করা হবে। পণ্যের পাশাপাশি আধুনিক মেশিন ও যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করা হবে। এর মাধ্যমে এ খাতের ব্যবসায়ীরা সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা নিতে পারবে। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে পণ্য প্রস্তুতকারক ও ক্রেতাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হবে, যা এ শিল্পকে নতুন মাত্রা দিবে।

এছাড়াও জানা যায়, প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ, মোড়কিকরণ এবং লেবেল, জিপার, ট্যাগ, ট্যাপ, থ্রেড, রিবন, বাটন, রিভেট, লেইস, হুক, ট্রান্সফার ফিল্ম, পেপার, ইঙ্ক ইত্যাদিসহ সংশ্লিষ্ট মেশিনারি তুলে ধরবে।

সূত্র মতে, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রচ্ছন্ন (ডিমএক্সপোর্ট) রপ্তানি করে এ খাতের উদ্যোক্তারা আয় করেন ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছর ছিল ৭ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে সরাসরি গার্মেন্টস এক্সেসরিজ রপ্তানি হয়েছে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান