০১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেবা পৌঁছে দিতে হবে : শ্রম ও কর্মসংস্হান সচিব

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে.এম আলী আজম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনার পর ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে তথ্য প্রযুক্তিকে অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে গেছেন। সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বিগত ১১ বছরে দেশে প্রতিটি উন্নয়ন সূচক এখন দৃশ্যমান। নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সরকারী সেবা অতি সহজে, কম খরচে হয়রানি ও দূর্নীতিমুক্তভাবে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। আগামী প্রজন্মকে শিক্ষা, চিন্তা-চেতনায় ইনোভেটিভ ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। সরকারের আন্তরিকতায় মাথাপিছু আয়, শিক্ষার হার ও গড় আয়ু উন্নীত হয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি। জীবন মান বৃদ্ধি পেলে আয়ুস্কালও বৃদ্ধি পায়। দেশ এখন প্রযুক্তি নির্ভর। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায় থেকে সরকারি সেবা আরো সহজীকরণ করতে সারাদেশে সাড়ে ৪ হাজারের অধিক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) করা হয়েছে। কোন ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি ১৩১টি সেবা জনগণ গ্রহণ করছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে চালু করা হয়েছে ই-ফাইলিং, ই-নামজারী, ই-কমার্স ও ই-সেবা সিস্টেম। তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভূমি সেবাসহ অন্যান্য সরকারি সেবাগুলো দশ মিনিটের মধ্যে মিলছে। খুব কম সময়ে, কম খরচে, হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌছে দেয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য। সরকারের ভিশন বাস্তবায়ন করতে হলে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে অমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আজ ৩০ জানুয়ারী ২০২০ইং বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামএম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ে দু’দিন ব্যাপী ইনোভেশন শোকেসিং-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো জনগনের সামনে তুলে ধরাসহ মেধা ও বিভিন্ন উদ্ভাবনমূলক ধারনাকে কাজে লাগানোর জন্য ইনোভেশন শোকেসিং এর আয়োজন। সরকারের এটুআই এবং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উদ্যোগে সারাদেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ইনোভেশন শোকেসিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। মানবিক বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের মুক্তি নাই। আমরা সন্তানদেরকে নিয়ে আগামীতে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। সেজন্য শিক্ষার্থীদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে ইনোভেশন বিষয়ে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। উদ্ভাবনী কাজে যাদের সবসময় নেশা রয়েছে আমরা তাদেরকেই খুঁজছি। প্রযুক্তির ভাল দিকগুলো বেছে নিয়ে মন্দ দিক গুলো পরিহার করতে হবে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হলে সরকারের উন্নয়নের মহাসড়কে সবাইকে সামিল হতে হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাবরিনা আফরিন মুস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্টিত ইনোভেশন শোকেসিং-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোঃ নুরুল আলম নিজামী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম (বার), পিপিএম ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ২দিন ব্যাপী ইনোভেশন শোকেসিংয়ের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। পরে বিভাগের বিভিন্ন জেলার ইনোভেশন টিমের স্টল পরিদর্শন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে.এম আলী আজমসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও পুষ্প অর্পন করেছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন

নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেবা পৌঁছে দিতে হবে : শ্রম ও কর্মসংস্হান সচিব

প্রকাশিত : ০৯:১৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে.এম আলী আজম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনার পর ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে তথ্য প্রযুক্তিকে অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে গেছেন। সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বিগত ১১ বছরে দেশে প্রতিটি উন্নয়ন সূচক এখন দৃশ্যমান। নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সরকারী সেবা অতি সহজে, কম খরচে হয়রানি ও দূর্নীতিমুক্তভাবে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। আগামী প্রজন্মকে শিক্ষা, চিন্তা-চেতনায় ইনোভেটিভ ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। সরকারের আন্তরিকতায় মাথাপিছু আয়, শিক্ষার হার ও গড় আয়ু উন্নীত হয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি। জীবন মান বৃদ্ধি পেলে আয়ুস্কালও বৃদ্ধি পায়। দেশ এখন প্রযুক্তি নির্ভর। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায় থেকে সরকারি সেবা আরো সহজীকরণ করতে সারাদেশে সাড়ে ৪ হাজারের অধিক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) করা হয়েছে। কোন ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি ১৩১টি সেবা জনগণ গ্রহণ করছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে চালু করা হয়েছে ই-ফাইলিং, ই-নামজারী, ই-কমার্স ও ই-সেবা সিস্টেম। তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভূমি সেবাসহ অন্যান্য সরকারি সেবাগুলো দশ মিনিটের মধ্যে মিলছে। খুব কম সময়ে, কম খরচে, হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌছে দেয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য। সরকারের ভিশন বাস্তবায়ন করতে হলে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে অমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আজ ৩০ জানুয়ারী ২০২০ইং বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামএম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ে দু’দিন ব্যাপী ইনোভেশন শোকেসিং-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো জনগনের সামনে তুলে ধরাসহ মেধা ও বিভিন্ন উদ্ভাবনমূলক ধারনাকে কাজে লাগানোর জন্য ইনোভেশন শোকেসিং এর আয়োজন। সরকারের এটুআই এবং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উদ্যোগে সারাদেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ইনোভেশন শোকেসিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। মানবিক বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের মুক্তি নাই। আমরা সন্তানদেরকে নিয়ে আগামীতে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। সেজন্য শিক্ষার্থীদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে ইনোভেশন বিষয়ে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। উদ্ভাবনী কাজে যাদের সবসময় নেশা রয়েছে আমরা তাদেরকেই খুঁজছি। প্রযুক্তির ভাল দিকগুলো বেছে নিয়ে মন্দ দিক গুলো পরিহার করতে হবে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হলে সরকারের উন্নয়নের মহাসড়কে সবাইকে সামিল হতে হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাবরিনা আফরিন মুস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্টিত ইনোভেশন শোকেসিং-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোঃ নুরুল আলম নিজামী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম (বার), পিপিএম ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ২দিন ব্যাপী ইনোভেশন শোকেসিংয়ের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। পরে বিভাগের বিভিন্ন জেলার ইনোভেশন টিমের স্টল পরিদর্শন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে.এম আলী আজমসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ