০১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 তামিম-আল আমিনের জোড়া সেঞ্চুরি প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র 

দুই দিনের ম্যাচে সাধারণত ফল আসে না। ড্র হওয়াটাই এখানে নিয়তি। জিম্বাবুয়ে ও বিসিবি একাদশের দুই দিনের ম্যাচটিও ড্র হয়েছে। তবে ড্র হওয়া ম্যাচেও বাংলাদেশের বড় প্রাপ্তি অধিনায়ক তানজিদ হাসান তামিম ও আল আমিনের জোড়া সেঞ্চুরি। ৫৯.৩ ওভারে বিসিবি একাদশ ৫ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ২৮৮ রান তুলতেই দুই অধিনায়ক ড্র মেনে নেন। কারণ বাকি সময়ের মধ্যে দুদলের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ করা অসম্ভব।

ব্যাট করতে নেমে ৬৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বিসিবি একাদশ। মনে হচ্ছিল, বিসিবি একাদশের তরুণদের অলআউট হওয়া সময়ের ব্যাপার। কিন্তু এখান থেকেই দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বগুড়ার ছেলে তানজিদ হাসান তামিম ও আল আমিন। দুজনেই জোড়া সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ৯৯ বল খেলে ১২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এই ইনিংসটি খেলার পথে তিনি বাউন্ডারি মেরেছেন ১৪টি, ছক্কা পাঁচটি। অধিনায়ক আল আমি কাটায় কাটায় ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ১৪৫ বলে খেলা তাঁর ইনিংসে বাউন্ডারি ছিল ১৬টি।

এর আগে বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ২০ রানের মাথায় মোহাম্মদ নাঈমকে (১১) ফিরিয়ে বিসিবি একাদশকে ধাক্কা দিয়েছিলেন মুম্বা। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। তিনি ২৫ রানেই ফিরে যান মাত্র ১ রান করে।

মাহমুদুল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছিলেন। খানিকবাদে ফিরে গিয়েছেন শাহাদাত হোসেনও (২)। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারানো বিসিবি একাদশকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন।

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ৪৭ রানের ইনিংস খেলা ইমন আউট হয়েছেন ৩৪ রানে। এই রান তিনি করেছেন ৬৬ বলে চার বাউন্ডারি আর এক ছক্কায়। স্কোরবোর্ডে ১ রান যোগ হতেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী ফিরে গিয়েছেন ১ রানে।

৬৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বিসিবি একাদশকে টেনে তোলার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তানজিদ হাসান তামিম ও আল-আমিন জুনিয়র। ষষ্ঠ উইকেটে তারা যোগ করেন ২১৯ রান। এরপরই দুই দিনের ম্যাচটি ড্র হয়ে যায়।

প্রথমদিন প্রস্তুতিটা ভালোভাবেই সেরে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম দিন শেষে তারা ৭ উইকেটে স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ২৯১ রান। দ্বিতীয় দিনে তারা এই রানেই ইনিংস ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেএসপিতে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে দারুন শুরু এনে দেন দুই ওপেনার প্রিন্স মাসভুরে ও কাসুজা। মধ্যাহ্ন বিরতির পুর্বে কোনো সাফল্যই পায়নি বিসিবি একাদশের বোলাররা।

বিরতির পর ১০৫ রানে জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি বিচ্ছিন্ন করেছেন আল-আমিন জুনিয়র। আউট হয়ে যান প্রিন্স মাসভুরে। তিনি ৪৫ রান করেছেন ৭৭ বলে সাত চারের সৌজন্যে। মাসভুরে সাজঘরে ফিরতেই ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং। শাহাদত হোসেনের তোপের মুখে একের পর এক উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ের। শাহাদাত একাই নেন ৩ উইকেট।

এরপর জিম্বাবুয়েকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেন মুম্বা-এনলাভু জুটি। দিন শেষে এই জুটি অবিচ্ছন্নই রয়ে গেছে। মুম্বা ১০৫ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত আছেন। এনলাভু অপরাজিত ২৫ রানে। বিসিবি একাদশের হয়ে সবচেয়ে সফল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অফ স্পিনার শাহাদাত। তিনি ১৬ রানের বিনিময়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। ৪০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন আল আমিন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা

 তামিম-আল আমিনের জোড়া সেঞ্চুরি প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র 

প্রকাশিত : ০৭:২৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

দুই দিনের ম্যাচে সাধারণত ফল আসে না। ড্র হওয়াটাই এখানে নিয়তি। জিম্বাবুয়ে ও বিসিবি একাদশের দুই দিনের ম্যাচটিও ড্র হয়েছে। তবে ড্র হওয়া ম্যাচেও বাংলাদেশের বড় প্রাপ্তি অধিনায়ক তানজিদ হাসান তামিম ও আল আমিনের জোড়া সেঞ্চুরি। ৫৯.৩ ওভারে বিসিবি একাদশ ৫ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ২৮৮ রান তুলতেই দুই অধিনায়ক ড্র মেনে নেন। কারণ বাকি সময়ের মধ্যে দুদলের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ করা অসম্ভব।

ব্যাট করতে নেমে ৬৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বিসিবি একাদশ। মনে হচ্ছিল, বিসিবি একাদশের তরুণদের অলআউট হওয়া সময়ের ব্যাপার। কিন্তু এখান থেকেই দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বগুড়ার ছেলে তানজিদ হাসান তামিম ও আল আমিন। দুজনেই জোড়া সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ৯৯ বল খেলে ১২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এই ইনিংসটি খেলার পথে তিনি বাউন্ডারি মেরেছেন ১৪টি, ছক্কা পাঁচটি। অধিনায়ক আল আমি কাটায় কাটায় ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ১৪৫ বলে খেলা তাঁর ইনিংসে বাউন্ডারি ছিল ১৬টি।

এর আগে বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ২০ রানের মাথায় মোহাম্মদ নাঈমকে (১১) ফিরিয়ে বিসিবি একাদশকে ধাক্কা দিয়েছিলেন মুম্বা। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। তিনি ২৫ রানেই ফিরে যান মাত্র ১ রান করে।

মাহমুদুল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছিলেন। খানিকবাদে ফিরে গিয়েছেন শাহাদাত হোসেনও (২)। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারানো বিসিবি একাদশকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন।

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ৪৭ রানের ইনিংস খেলা ইমন আউট হয়েছেন ৩৪ রানে। এই রান তিনি করেছেন ৬৬ বলে চার বাউন্ডারি আর এক ছক্কায়। স্কোরবোর্ডে ১ রান যোগ হতেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী ফিরে গিয়েছেন ১ রানে।

৬৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বিসিবি একাদশকে টেনে তোলার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তানজিদ হাসান তামিম ও আল-আমিন জুনিয়র। ষষ্ঠ উইকেটে তারা যোগ করেন ২১৯ রান। এরপরই দুই দিনের ম্যাচটি ড্র হয়ে যায়।

প্রথমদিন প্রস্তুতিটা ভালোভাবেই সেরে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম দিন শেষে তারা ৭ উইকেটে স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ২৯১ রান। দ্বিতীয় দিনে তারা এই রানেই ইনিংস ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেএসপিতে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে দারুন শুরু এনে দেন দুই ওপেনার প্রিন্স মাসভুরে ও কাসুজা। মধ্যাহ্ন বিরতির পুর্বে কোনো সাফল্যই পায়নি বিসিবি একাদশের বোলাররা।

বিরতির পর ১০৫ রানে জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি বিচ্ছিন্ন করেছেন আল-আমিন জুনিয়র। আউট হয়ে যান প্রিন্স মাসভুরে। তিনি ৪৫ রান করেছেন ৭৭ বলে সাত চারের সৌজন্যে। মাসভুরে সাজঘরে ফিরতেই ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং। শাহাদত হোসেনের তোপের মুখে একের পর এক উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ের। শাহাদাত একাই নেন ৩ উইকেট।

এরপর জিম্বাবুয়েকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেন মুম্বা-এনলাভু জুটি। দিন শেষে এই জুটি অবিচ্ছন্নই রয়ে গেছে। মুম্বা ১০৫ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত আছেন। এনলাভু অপরাজিত ২৫ রানে। বিসিবি একাদশের হয়ে সবচেয়ে সফল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অফ স্পিনার শাহাদাত। তিনি ১৬ রানের বিনিময়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। ৪০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন আল আমিন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর