০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলায় স্ট্যাটাস দিলেন মার্কিন সিনেটর

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেতে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন মার্কিন সিনেটর ও ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ বার্নি স্যান্ডার্স।

সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তিনি সমান তালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফাইড পেইজে আবারও তিনি বাংলায় স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তিনি ফেইবুকে লিখেন, ‘বার্নি নেভাডা জিতেছে।’ রবিবার তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। তিন ঘণ্টায় স্ট্যাটাসটিতে ২ হাজার ৫০০ লাইক এবং ৩৩৮টি কমেন্ট পড়েছে। এছাড়া ৩৮৮ জন শেয়ার করেছেন তার এই স্ট্যাটাসটি। এই পোস্টে তার প্রশংসা করছেন অনেকে।

বাংলা ভাষাভাষি মানুষজন সবচেয়ে বেশি মন্তব্য ও প্রশংসা করেছেন। এর আগেও বাংলায় ‘স্বাস্থ্য সেবা একটি মানবাধিকার’ লিখে স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেই সময়েও প্রশংসায় ভেসেছিলেন বার্নি স্যান্ডার্স।

বার্নি স্যান্ডার্স শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন এবং ১৯৬০ ও ১৯৭০–এর দশকে যুদ্ধবিরোধী এবং নাগরিক অধিকারের জন্য হওয়া আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯০ সালে ৪০ বছরের মধ্যে প্রথম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মার্কিন প্রতিনিধি সভার একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হন স্যান্ডার্স।

নিজেকে ডেমোক্রেটিক সোশালিস্ট হিসেবে দাবি করা স্যান্ডার্স এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করার প্রত্যাশা করেন, যা শুধু ধনীদের জন্য নয়, সব পর্যায়ের মানুষের জন্য কাজ করবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিএনপি নেতা পারভেজ মল্লিকের হাত ধরে ছাত্রদলে বৈষম্যবিরোধী নেতা ইকরামুল

বাংলায় স্ট্যাটাস দিলেন মার্কিন সিনেটর

প্রকাশিত : ০৭:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেতে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন মার্কিন সিনেটর ও ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ বার্নি স্যান্ডার্স।

সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তিনি সমান তালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফাইড পেইজে আবারও তিনি বাংলায় স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তিনি ফেইবুকে লিখেন, ‘বার্নি নেভাডা জিতেছে।’ রবিবার তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। তিন ঘণ্টায় স্ট্যাটাসটিতে ২ হাজার ৫০০ লাইক এবং ৩৩৮টি কমেন্ট পড়েছে। এছাড়া ৩৮৮ জন শেয়ার করেছেন তার এই স্ট্যাটাসটি। এই পোস্টে তার প্রশংসা করছেন অনেকে।

বাংলা ভাষাভাষি মানুষজন সবচেয়ে বেশি মন্তব্য ও প্রশংসা করেছেন। এর আগেও বাংলায় ‘স্বাস্থ্য সেবা একটি মানবাধিকার’ লিখে স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেই সময়েও প্রশংসায় ভেসেছিলেন বার্নি স্যান্ডার্স।

বার্নি স্যান্ডার্স শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন এবং ১৯৬০ ও ১৯৭০–এর দশকে যুদ্ধবিরোধী এবং নাগরিক অধিকারের জন্য হওয়া আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯০ সালে ৪০ বছরের মধ্যে প্রথম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মার্কিন প্রতিনিধি সভার একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হন স্যান্ডার্স।

নিজেকে ডেমোক্রেটিক সোশালিস্ট হিসেবে দাবি করা স্যান্ডার্স এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করার প্রত্যাশা করেন, যা শুধু ধনীদের জন্য নয়, সব পর্যায়ের মানুষের জন্য কাজ করবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর