০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

উন্নত চিকিৎসার সম্মতি নেই খালেদা জিয়ার

উন্নত চিকিৎসা (অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট) নিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্মতি দেননি বলে আদালতকে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ।

বিএসএমএমইউর পাঠানো প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল। পরে আদালত তা পড়ে শোনান।

আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি চিকিৎসা নিতে সম্মত হননি। পরে আদালত আদেশের জন্য বেলা ২টায় সময় নির্ধারণ করেন ।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ আইনজী ব্যারিস্টার মওদুদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদার জামিন আবেদনের ওপর আদেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সবার চোখ উচ্চ আদালতের দিকে। খালেদা জিয়া কি জামিন পাবেন? নাকি আবেদন খারিজ হয়ে যাবে? এ নিয়ে জনমনে রয়েছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

উন্নত চিকিৎসার সম্মতি নেই খালেদা জিয়ার

প্রকাশিত : ০২:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

উন্নত চিকিৎসা (অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট) নিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্মতি দেননি বলে আদালতকে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ।

বিএসএমএমইউর পাঠানো প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল। পরে আদালত তা পড়ে শোনান।

আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি চিকিৎসা নিতে সম্মত হননি। পরে আদালত আদেশের জন্য বেলা ২টায় সময় নির্ধারণ করেন ।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ আইনজী ব্যারিস্টার মওদুদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদার জামিন আবেদনের ওপর আদেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সবার চোখ উচ্চ আদালতের দিকে। খালেদা জিয়া কি জামিন পাবেন? নাকি আবেদন খারিজ হয়ে যাবে? এ নিয়ে জনমনে রয়েছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর