শোয়েব আখতার দারুণ এক বিনোদনের উৎস হয়ে উঠেছেন ক্রিকেট অনুসারীদের। সাবেক গতিতারকা নিজের ইউটিউব চ্যানেলে নিত্যনতুন ভিডিও নিয়ে হাজির হন প্রায় প্রতিদিনই। প্রায়ই কাউকে না কাউকে লক্ষ্য করে নতুন কিছু তথ্য দেন। উপমহাদেশের ক্রিকেট ও এর সংস্কৃতিকে নিয়ে সাড়া ফেলানো মুখরোচক খবর দেন সবাইকে। এই যেমন পাকিস্তান জাতীয় দলের ওপেনার ফখর জামানকে কদিন আগেই রীতিমতো অপমান করেছেন। বলেছেন, দেশকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এনে দেওয়া এই ওপেনারের নাকি মাথায় কোনো ঘিলু নেই।
২০১৭ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল ফখর জামানের। শুরুতে নেমে কোনো দিগ্বিদিক না দেখে ব্যাট ছুড়ে রান তোলা এই ওপেনারকে ধরতে পারেননি কেউ। ফেবারিট ভারতকে চমকে দিয়ে ফাইনালে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন ফখর। এরপর ইমাম-উল-হকের সঙ্গে জুটি গড়ে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন। কিন্তু ধীরে ধীরে দলে জায়গা হারিয়ে ফেলেছেন। এখন পিএসএলেও ফর্মের জন্য যুদ্ধ করছেন। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে তাঁর ফর্ম দেখে খেপেছেন শোয়েব আখতার।
ইউটিউবে ফখরের ব্যাটিং নিয়ে শোয়েব বলেছেন, ‘যার মাথায় কোনো ঘিলু নেই সে হলো ফখর জামান। দলে যখন অন্য প্রান্তে ক্রিস লিনের মতো একজন আছে যে দ্রুত রান তুলতে পারে, তখন বোঝা উচিত তোমার একটু ধীরে ব্যাট করাটাই ভালো। ক্রিস লিন তো ভিভ রিচার্ডস না। সে অস্ট্রেলিয়ার মতো উইকেট যেখানে নিয়মিত বাউন্স পাওয়া যায়, তাতে ভালো খেলে। সে খুবই আগ্রাসী ও ভালো ব্যাটসম্যান। কিন্তু দলে এমন একজন থাকাই ভালো।’
এবারের পিএসএলের প্রথম তিন ম্যাচে ফখর জামান ২৪.৬৬ গড় ও ১২৫.৪২ স্ট্রাইক রেটে ৭৪ রান করেছেন। লিনের সঙ্গে ফখরের জুটি একদম পছন্দ হচ্ছে না শোয়েবের, ‘কালান্দার্সের ব্যাটিং লাইনে সবাই একই ধরনের ব্যাটসম্যান। যারা ভাবনা চিন্তা না করেই ব্যাট করে। পাওয়ার প্লেতে আগ্রাসী খেলা যায়, সুযোগ নেওয়া যায়। কিন্তু বাকি ১৪ ওভারে তো ইনিংস গড়া শিখতে হবে। সিঙ্গেলস নিতে হবে এবং এরপর ইনিংসের শেষ টানতে হবে।’
এর আগেও ফখরের ব্যাটিং নিয়ে কথা বলেছিলেন শোয়েব। বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের পর ফখরের টেকনিক ও চাপের মুখে ভেঙে পড়া নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছিলেন সাবেক পেসার।
বিজনেস বাংলাদেশ/ আরিফ

























