০৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

করোনা সন্দেহে বৃদ্ধের মৃত্যু, ৯ পরিবার লকডাউন

  • নাজিম উদ্দিন
  • প্রকাশিত : ০৫:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০
  • 69

লক্ষ্মীপুরের জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া নিয়ে ৭০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ মারা যাওয়ার ঘটনায় একটি বাড়ির ৯ পরিবারকে লকডাউন করেছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ড. আবদুল গাফফার জানান, নিহত বৃদ্ধের জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া ছিল। তবে করোনা ছিল কী-না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ওসি এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া জানান, বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার দালাল বাজারের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বৃদ্ধ মারা যান। রাতেই তার মরদেহ দাফন করা হয়।

তবে, মৃত্যুর সময় ওই বৃদ্ধের শরীরে জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া ছিল। এগুলো করোনা উপসর্গ হওয়ায় খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশের সমন্বয়ে ওই বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। ওই বাড়িতে ৯টি পরিবার থাকতো। পরবর্তী নির্দেশনা পর্যন্ত সবগুলো পরিবার লকডাউনে থাকবে।

তাদের জরুরি কোন কিছুর প্রয়োজন হলে তারা পুলিশকে ফোন করবে। এবং পুলিশ তাদেরকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করবে বলেও জানান পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

করোনা সন্দেহে বৃদ্ধের মৃত্যু, ৯ পরিবার লকডাউন

প্রকাশিত : ০৫:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০

লক্ষ্মীপুরের জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া নিয়ে ৭০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ মারা যাওয়ার ঘটনায় একটি বাড়ির ৯ পরিবারকে লকডাউন করেছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ড. আবদুল গাফফার জানান, নিহত বৃদ্ধের জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া ছিল। তবে করোনা ছিল কী-না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ওসি এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া জানান, বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার দালাল বাজারের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বৃদ্ধ মারা যান। রাতেই তার মরদেহ দাফন করা হয়।

তবে, মৃত্যুর সময় ওই বৃদ্ধের শরীরে জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া ছিল। এগুলো করোনা উপসর্গ হওয়ায় খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশের সমন্বয়ে ওই বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। ওই বাড়িতে ৯টি পরিবার থাকতো। পরবর্তী নির্দেশনা পর্যন্ত সবগুলো পরিবার লকডাউনে থাকবে।

তাদের জরুরি কোন কিছুর প্রয়োজন হলে তারা পুলিশকে ফোন করবে। এবং পুলিশ তাদেরকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করবে বলেও জানান পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।