০৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা ২৭ জন প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন মোট ৪৭ জন প্রার্থী। কাস্টিং হওয়া ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় জামানতের ৫০ হাজার টাকা ফেরত পাবেননা টাঙ্গাইলের আটটি আসনের ২৭ জন প্রার্থী।

টাঙ্গাইল -১( মধুপুর- ধনবাড়ি) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৩ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৫৬ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানতের টাকা ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৫ হাজার ৯০৭ টি করে ভোট, এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা চারজন প্রার্থী। জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজা ১৯৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭২৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৫৯ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. হারুন অর রশিদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩১ ভোট।

টাঙ্গাইল -২ (গোপালপুর -ভূঞাপুর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার ৬০৬ জন। ভোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৩ হাজার ৭৮৩ টি’র মতো ভোট। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা দুইজন প্রার্থী।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসেন সাগর হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৭৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. হুমায়ুন কবীর তালুকদার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৪ ভোট।

টাঙ্গাইল -৩ (ঘাটাইল) আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬০ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ২৯ হাজার ৫৮২ টি ভোট। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা দুইজন প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার হাস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ রেজাউল করিম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৫ ভোট ।

টাঙ্গাইল -৪ (কালিহাতী) আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ৭৪হাজার ৯১৭ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৭৮ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ২৮ হাজার ৫৯৭ টি। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮২২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল হালিম মিঞা মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৫২ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. লিয়াকত আলী তালুকদার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫৮ ভোট।

টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৮১ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৬ হাজার ৫৬০ টি’র মতো ভোট। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা সাতজন প্রার্থী। এরা হলেন, বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী এ কে এম শফিকুল ইসলাম ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ১০৯ টি ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী খন্দকার জাকির হোসেন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬০০ ভোট, গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী ফাতেমা আক্তার মাথাল প্রতীকে পেয়েছেন ২২১ ভোট, জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. মোজাম্মেল হক লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬৩৭ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ ( জিওপি) মনোনীত মো. শফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ২৬৩ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি) মনোনীত প্রার্থী হাসরত খান ভাসানী একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৯ ভোট এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা তারা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯২ ভোট।

টাঙ্গাইল -৬ (দেলদুয়ার -নাগরপুর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪৭১ টি। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৫৪৩৩ টি’র মতো ভোট। কিন্তু এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা পাঁচজন প্রার্থী।জাতীয় পার্টি – জেপি মনোনীত প্রার্থী তারেক শামস খান বাইসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ ভোট, সতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম মোরগ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৯৯৬ ভোট, জাতীয় পার্টি মনোনীত মোহাম্মদ মামুনুর রহিম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৬৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ আখিনুর মিয়া হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজা ০৬৮ ভোট, সতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জুয়েল সরকার হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৬১ ভোট।

টাঙ্গাইল -৭ (মির্জাপুর ) আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫৪৩৭ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ২ লাখ ১৮ হাজার ২৫২ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ২৭ হাজার ২৮১ টি’র মতো ভোট। কিন্তু এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানত ফেরত পাবেননা বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) মনোনীত প্রার্থী মো. তোফাজ্জল হোসেন হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ ভোট।

টাঙ্গাইল -৮ (বাসাইল -সখিপুর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮২৭ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৫২ হাজার ২৬১ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩১ হাজার ৫৩২ টি’র মতো ভোট। কিন্তু এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা তিন জন প্রার্থী।বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত প্রার্থী আউয়াল মাহমুদ কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ৫১০ ভোট, আমজনতার দল মনোনীত প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেন প্রজাপতি প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩০ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. নাজমুল হাসান লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, মোট কাস্টিং হওয়া ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থী তার জামানতের টাকা ফেরত পাবেন না।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পোশাকে বাসন্তী ছোয়া, আছে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলাবন্ধন

টাঙ্গাইলে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা ২৭ জন প্রার্থী

প্রকাশিত : ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন মোট ৪৭ জন প্রার্থী। কাস্টিং হওয়া ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় জামানতের ৫০ হাজার টাকা ফেরত পাবেননা টাঙ্গাইলের আটটি আসনের ২৭ জন প্রার্থী।

টাঙ্গাইল -১( মধুপুর- ধনবাড়ি) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৩ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৫৬ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানতের টাকা ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৫ হাজার ৯০৭ টি করে ভোট, এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা চারজন প্রার্থী। জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজা ১৯৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭২৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৫৯ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. হারুন অর রশিদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩১ ভোট।

টাঙ্গাইল -২ (গোপালপুর -ভূঞাপুর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার ৬০৬ জন। ভোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৩ হাজার ৭৮৩ টি’র মতো ভোট। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা দুইজন প্রার্থী।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসেন সাগর হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৭৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. হুমায়ুন কবীর তালুকদার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৪ ভোট।

টাঙ্গাইল -৩ (ঘাটাইল) আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬০ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ২৯ হাজার ৫৮২ টি ভোট। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা দুইজন প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার হাস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ রেজাউল করিম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৫ ভোট ।

টাঙ্গাইল -৪ (কালিহাতী) আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ৭৪হাজার ৯১৭ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৭৮ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ২৮ হাজার ৫৯৭ টি। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮২২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল হালিম মিঞা মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৫২ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. লিয়াকত আলী তালুকদার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫৮ ভোট।

টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৮১ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৬ হাজার ৫৬০ টি’র মতো ভোট। এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা সাতজন প্রার্থী। এরা হলেন, বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী এ কে এম শফিকুল ইসলাম ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ১০৯ টি ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী খন্দকার জাকির হোসেন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬০০ ভোট, গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী ফাতেমা আক্তার মাথাল প্রতীকে পেয়েছেন ২২১ ভোট, জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. মোজাম্মেল হক লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬৩৭ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ ( জিওপি) মনোনীত মো. শফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ২৬৩ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি) মনোনীত প্রার্থী হাসরত খান ভাসানী একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৯ ভোট এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা তারা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯২ ভোট।

টাঙ্গাইল -৬ (দেলদুয়ার -নাগরপুর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪৭১ টি। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩৫৪৩৩ টি’র মতো ভোট। কিন্তু এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা পাঁচজন প্রার্থী।জাতীয় পার্টি – জেপি মনোনীত প্রার্থী তারেক শামস খান বাইসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ ভোট, সতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম মোরগ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৯৯৬ ভোট, জাতীয় পার্টি মনোনীত মোহাম্মদ মামুনুর রহিম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৬৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ আখিনুর মিয়া হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজা ০৬৮ ভোট, সতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জুয়েল সরকার হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৬১ ভোট।

টাঙ্গাইল -৭ (মির্জাপুর ) আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫৪৩৭ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ২ লাখ ১৮ হাজার ২৫২ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ২৭ হাজার ২৮১ টি’র মতো ভোট। কিন্তু এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানত ফেরত পাবেননা বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) মনোনীত প্রার্থী মো. তোফাজ্জল হোসেন হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ ভোট।

টাঙ্গাইল -৮ (বাসাইল -সখিপুর) আসনে সর্বমোট ভোটার ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮২৭ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৫২ হাজার ২৬১ জন। এই আসনে প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে ভোট লাগবে ৩১ হাজার ৫৩২ টি’র মতো ভোট। কিন্তু এরচেয়ে ভোট কম পাওয়ার কারনে এই আসনে জামানতের টাকা ফেরত পাবেননা তিন জন প্রার্থী।বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত প্রার্থী আউয়াল মাহমুদ কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ৫১০ ভোট, আমজনতার দল মনোনীত প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেন প্রজাপতি প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩০ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. নাজমুল হাসান লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, মোট কাস্টিং হওয়া ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থী তার জামানতের টাকা ফেরত পাবেন না।

ডিএস./