০১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পায়ে হেটে বাধ্য হয়েই গার্মেন্টসে ছুটছে শ্রমিকরা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২৫ এপ্রিল থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সকল নিট গার্মেন্টস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল বিকেএমইএ। শনিবার (৪ এপ্রিল) থেকে আবার নিট গার্মেন্টস খোলা হওয়ায় ঢাকার দিকে ছুটছে শ্রমিকরা। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ময়মনসিংহ ব্রীজের বাসস্টেন্ড এলাকায় দেখা যায় হাজার হাজার ঢাকাগামী গার্মেন্টস শ্রমিক। কথা হয় গার্মেস্টসে চাকরী করা বুলবুল আহমেদ নামে একজনের সাথে তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) থেকে গার্মেন্টস খোলা হবে। যদি আগামীকাল গার্মেন্টসে পৌছাতে না পারি তাহলে চাকরী থাকবে না। অনেকটা বাধ্য হয়েই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। এক নারী গার্মেন্টস কর্মী ফারজানার সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি স্বপরিবারে ঢাকায় থেকে চাকরী করেন। তাদের করোনার ভয়ের চাইতে গার্মেন্টসে চাকরী হারানোর ভয় বেশি। তাই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। খলিল নামে এক গার্মেন্টস কর্মী বলেন, গার্মেন্টসে চাকরী করেই আমার পরিবারের খাদ্য জুটে। কাল গার্মেস্টসে হাজিরা না দিতে পারলে চাকরী থাকবে না। পায়ে হেটে আর রিক্সাই চড়ে যেভাবেই হোক ঢাকা যেতেই হবে। ময়মনসিংহ জেলা মটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, যানবাহন বন্ধ থাকায় আমাদের এবং শ্রমিকদের ক্ষতি হলেও আমরা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী যানবাহন বন্ধ রেখেছি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত যানবাহন বন্ধ থাকবে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান বলেন, সরকারী নির্দেশনা অনুসারে সীমিত অনুসারে কিছু বন্ধ দিলেও কিছু গার্মেন্টস চলছে। আবার কিছু গার্মেন্টস আগামীকাল থেকে খোলা। প্রয়োজনের তাগিদেই গার্মেন্টস শ্রমিকরা ঢাকা যাচ্ছে। তবে, যানবাহন বন্ধ থাকায় তাদের কিছুটা ভুগান্তি হচ্ছে। আমরা যতটুকু পারছি তাদের সহযোগীতা করছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পায়ে হেটে বাধ্য হয়েই গার্মেন্টসে ছুটছে শ্রমিকরা

প্রকাশিত : ০৯:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২৫ এপ্রিল থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সকল নিট গার্মেন্টস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল বিকেএমইএ। শনিবার (৪ এপ্রিল) থেকে আবার নিট গার্মেন্টস খোলা হওয়ায় ঢাকার দিকে ছুটছে শ্রমিকরা। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ময়মনসিংহ ব্রীজের বাসস্টেন্ড এলাকায় দেখা যায় হাজার হাজার ঢাকাগামী গার্মেন্টস শ্রমিক। কথা হয় গার্মেস্টসে চাকরী করা বুলবুল আহমেদ নামে একজনের সাথে তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) থেকে গার্মেন্টস খোলা হবে। যদি আগামীকাল গার্মেন্টসে পৌছাতে না পারি তাহলে চাকরী থাকবে না। অনেকটা বাধ্য হয়েই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। এক নারী গার্মেন্টস কর্মী ফারজানার সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি স্বপরিবারে ঢাকায় থেকে চাকরী করেন। তাদের করোনার ভয়ের চাইতে গার্মেন্টসে চাকরী হারানোর ভয় বেশি। তাই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। খলিল নামে এক গার্মেন্টস কর্মী বলেন, গার্মেন্টসে চাকরী করেই আমার পরিবারের খাদ্য জুটে। কাল গার্মেস্টসে হাজিরা না দিতে পারলে চাকরী থাকবে না। পায়ে হেটে আর রিক্সাই চড়ে যেভাবেই হোক ঢাকা যেতেই হবে। ময়মনসিংহ জেলা মটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, যানবাহন বন্ধ থাকায় আমাদের এবং শ্রমিকদের ক্ষতি হলেও আমরা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী যানবাহন বন্ধ রেখেছি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত যানবাহন বন্ধ থাকবে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান বলেন, সরকারী নির্দেশনা অনুসারে সীমিত অনুসারে কিছু বন্ধ দিলেও কিছু গার্মেন্টস চলছে। আবার কিছু গার্মেন্টস আগামীকাল থেকে খোলা। প্রয়োজনের তাগিদেই গার্মেন্টস শ্রমিকরা ঢাকা যাচ্ছে। তবে, যানবাহন বন্ধ থাকায় তাদের কিছুটা ভুগান্তি হচ্ছে। আমরা যতটুকু পারছি তাদের সহযোগীতা করছি।