০৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় করোনারভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, গলা ব্যাথা ও শ্বাশকষ্ট নিয়ে মো. সালাম (২২) নামে এক শ্রমিক মারা গিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর পর মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, মারা যাওয়া মো. সালাম সিলেটের একটি ইটভাটায় কাজ করতো। করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু বন্ধ ঘোষনা করায় বিগত ১০ দিন আগে সে বাড়িতে আসে। বাড়ির আসার পর সে প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হলেও সে সুস্থ হয়ে উঠে। কিন্তু পরবর্তীতে পুরনায় জ্বর দেখা দিলে ও সাথে গলা ব্যাথা এবং শ্বাশকষ্ট দেখা দেয় এবং মঙ্গলবার রাতে বাড়িতেই মারা যায়। এঘটনা পুরো উপজেলায় জানাজানি হলে সবার মধ্যে একটি আত্মঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে প্রশাসন মাইকিং করে নিহত বাড়িসহ আশে আশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন করার ঘোষনা প্রদান করে এবং নিহত ব্যক্তিসহ তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলেও জানায় উপজেলা প্রশাসন।
দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা বলেন, যেহেতু সে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গিয়ে তাই আমরা মৃত ব্যক্তির ও তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য পাঠাবো। তাছাড়া সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে এবং সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশে ১০টি বাড়ি লোকডাউন করা নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, নিহতর ভাই আমাদের জানিয়েছেন সে আগে থেকেই শ্বাশকষ্টের রোগী ছিলো এবং সে প্রায় সময় অসুস্থ থাকতো। তবুও আমরা তার নমুনা সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে জাপার ঘাটিতে জামায়াতের জয়-জয়কার

সুনামগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত : ১১:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় করোনারভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, গলা ব্যাথা ও শ্বাশকষ্ট নিয়ে মো. সালাম (২২) নামে এক শ্রমিক মারা গিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর পর মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, মারা যাওয়া মো. সালাম সিলেটের একটি ইটভাটায় কাজ করতো। করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু বন্ধ ঘোষনা করায় বিগত ১০ দিন আগে সে বাড়িতে আসে। বাড়ির আসার পর সে প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হলেও সে সুস্থ হয়ে উঠে। কিন্তু পরবর্তীতে পুরনায় জ্বর দেখা দিলে ও সাথে গলা ব্যাথা এবং শ্বাশকষ্ট দেখা দেয় এবং মঙ্গলবার রাতে বাড়িতেই মারা যায়। এঘটনা পুরো উপজেলায় জানাজানি হলে সবার মধ্যে একটি আত্মঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে প্রশাসন মাইকিং করে নিহত বাড়িসহ আশে আশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন করার ঘোষনা প্রদান করে এবং নিহত ব্যক্তিসহ তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলেও জানায় উপজেলা প্রশাসন।
দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা বলেন, যেহেতু সে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গিয়ে তাই আমরা মৃত ব্যক্তির ও তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য পাঠাবো। তাছাড়া সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে এবং সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশে ১০টি বাড়ি লোকডাউন করা নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, নিহতর ভাই আমাদের জানিয়েছেন সে আগে থেকেই শ্বাশকষ্টের রোগী ছিলো এবং সে প্রায় সময় অসুস্থ থাকতো। তবুও আমরা তার নমুনা সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান