০৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প লকডাউন

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ৩৪টি শরণার্থী ক্যাম্প লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মরণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মাহাবুবুল আলম তালুকদার।

এর আগে পুরো কক্সবাজার জেলা অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। তিনিও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো লকডাউনের কথা জানান।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো কক্সবাজার জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

মাহাবুবুল আলম তালুকদার জানান, মূলত, আগে থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অঘোষিত লকডাউন চলছিল। শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়নি। অতি জরুরি কার্যক্রম ছাড়া গত ১১ মার্চ থেকেই শরণার্থী শিবিরগুলোতে বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আরো জানান, আজ বুধবার থেকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গোট জেলা লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এ কারণে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবিরগুলোও লকডাউনের আওতায় পড়েছে।

এই কর্মকর্তা বলেন, ক্যাম্পগুলোতে যাতে বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ইমার্জেন্সি কার্যক্রম ছাড়া কোনো কর্মকাণ্ড চলবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে জাপার ঘাটিতে জামায়াতের জয়-জয়কার

৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প লকডাউন

প্রকাশিত : ০৮:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ৩৪টি শরণার্থী ক্যাম্প লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মরণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মাহাবুবুল আলম তালুকদার।

এর আগে পুরো কক্সবাজার জেলা অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। তিনিও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো লকডাউনের কথা জানান।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো কক্সবাজার জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

মাহাবুবুল আলম তালুকদার জানান, মূলত, আগে থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অঘোষিত লকডাউন চলছিল। শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়নি। অতি জরুরি কার্যক্রম ছাড়া গত ১১ মার্চ থেকেই শরণার্থী শিবিরগুলোতে বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আরো জানান, আজ বুধবার থেকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গোট জেলা লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এ কারণে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবিরগুলোও লকডাউনের আওতায় পড়েছে।

এই কর্মকর্তা বলেন, ক্যাম্পগুলোতে যাতে বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ইমার্জেন্সি কার্যক্রম ছাড়া কোনো কর্মকাণ্ড চলবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী