বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৪৯৫ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৫১৮ জন। অপরদিকে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫৮৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও এখন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৯২৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৭৮৮ জনের।
মৃত্যুর দিক দিয়ে সবার ওপরে রয়েছে ইতালি। দেশটি যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। ইতালিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৪২২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ৬৬৯ জনের।
আক্রান্তের দিক দিয়ে ইতালিকে পার করে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে স্পেন। সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ২২০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৭৯২ জনের। এ তথ্য জানিয়েছে করোনাভাইরাস নিয়ে লাইভ আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার।
চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত তিন মাসে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।
গত সোমবার প্রথমবারের মতো করোনায় মৃত্যুহীন ছিল চীন। মঙ্গলবার এবং বুধবার আবার দুই জন করে মৃত্যু হয়েছে। তবে নতুন করে ৬৩ জন শনাক্ত হয়েছেন তারা সবাই বিদেশি। চীনের মূল ভূখণ্ডে অনেকদিন থেকে করোনায় নতুন করে কেউ আক্রান্ত হননি। যে উহান থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে সেখানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে বুধবার (৮এপ্রিল)। জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এ রোগ ছড়াতে দেখে চীনা কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এই ভাইরাসে চীনের মূল ভূখণ্ডে আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৮৬৫ জন। আর মারা গেছেন ৩ হাজার ৩৩৫ জন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























