আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। আমার বিশ্বাস, অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও এ বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাব। গত শনিবার বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প ও নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী দীর্ঘদিনের থমকে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনেরও উদ্যোগ নেন। ১৯৬৭ সালে সূচিত এ প্রকল্পের ১৩০ কোটি টাকার পুর্নখনন কাজ বিগত সরকারের আমলে আইনি ও রাজনৈতিক কারণে আটকে যায়। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিগত সরকার ১৩০ কোটি টাকা দিয়ে পাঁচটি গ্রুপে কাজটা শুরু করতে চেয়েছিল, কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা ভুক্তভোগী মানুষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে মামলা প্রত্যাহারসহ বুড়িতিস্তার এই সমস্যার সমাধান করব।
একই সাথে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকারের কমিটমেন্ট একটাই, আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে যাক।
ডিএস./



















