ময়মনসিংহের নান্দাইলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মন্দিরের জায়গা দখল করে বাজার বসাল সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ। আব্দুর রশিদ উপজেলার ১২ নং জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের ২ নং রায়পাশা ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার ১২ নং জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের ২ নং রায়পাশা কালিবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলার ১২ নং জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের ২ নং রায়পাশা গ্রামের কালি মন্দিরের ১ একর ৫২ শতাংশ জায়গা নিয়ে সরকারের সাথে মামলা হয় মন্দির কমিটির সাথে। যার নাম্বার ১৬৮/২০১৮, ওই মামলায় গত বছরের ১৪ মে অস্থায়ী ভাবে বাজারের ইজারা বন্ধের নির্দেশ দেয় আদালত।
এদিকে প্রতি বছরের নেয় বৈশাখের শুরুতে বাজার বসে কালি বাজার এলাকায়। এ বছর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও জোড়পুর্বক সাবেক মেম্বার আব্দুর রশিদ বাজার বসিয়ে ইজারা আদায় করছে। মন্দির কমিটি নিষেধ করা সত্তেও তিনি জোড় করে বাজার বসিয়ে ইজারা আদায় করছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলকাবাসী।
এ বিষয়ে কালী মন্দিরের সেবায়েত শ্রী প্রাণতোষ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, এখন থেকে ১০ বছর আগে মেম্বার আব্দুর রশিদ মন্দির ভেঙ্গেছিল। মন্দির ভাঙ্গার মামলায় তিনি জেলও খেটেছেন। তিনি আবারও আমাদের উপর অত্যাচার শুরু করেছেন। আমরা এর বিচার চাই।
এ বিষয়ে ইজারাদার আব্দুর রশিদের ফোনে কল দিলে তিনি ভুল নাম্বারে কল দিয়েছেন বলে কেটে দেয়। পরে একাধিকবার তার ফোনে কল দিলেও সেটি বন্ধ দেখায়।
এ বিষয়ে ১২ নং জাহাঙ্গীর ইউনিয়নের চেয়াম্যান আবুল কালাম মন্ডল বলেন, আমি ইউনিয়নের অবিভাবক হিসাবে কালি বাজারে যেন কোন ইজারা আদায় করা না হয়, সেজন্য আমি মেম্বার আব্দুর রশিদকে নিষেধ করব। তারপরেও যদি সে না মানে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহিম সুজন বলেন, এ বিষয়ে মন্দির কমিটি একটি অভিযোগ করেছে। তাছাড়া আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাজার বসিয়ে ইজারা আদায়ের বিষয়টি শুনেছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই মেম্বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান




















