তরনে নিজের অনিয়ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সেলিম।
ত্রাণ বঞ্চিত দিনমজুর, দরিদ্র-হতদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন খাবারের আকাঙ্ক্ষায় গত ১৪ এপ্রিল বাড্ডা লিংক রোডের প্রধান সড়ক অবরুদ্ধ করে।
এই দূর্যোগ কালীন লকডাউন পরিস্থিতিতে মানুষের এমন সমাগমের খবর পেয়ে গোলাম সারওয়ার পিন্টু নামের স্থানীয় এক সংবাদ কর্মী তথ্য সংগ্রহ করে এবং তার একটি নিউজ পোর্টালের ফেসবুক সাইটে বিষয়টি লাইভ প্রচার করে। মূহুর্তেই আরো কয়েকটি মিডিয়ার প্রতিনিধীরা ঘটনাস্থলে এসে তথ্য সংগ্রহ করে এবং তা প্রচার করে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হওয়ায় ডিএনসিসির ৩৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সেলিমের উপর রাজনৈতিক চাপ আসতে থাকে।
নিজের অপকর্ম ও ত্রাণ বিতরণের অনিয়ম ধামাচাপা দিতে ব্যাক্তিগত আক্রোশের বশবর্তী হয়ে শেখ সেলিম বাদী হয়ে রাজধানীর বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করে। যার নম্বর- ০৪ তারিখ: ১৫/০৪/২০২০,১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)তৎসহ১৫০/১৫৮ পেনেল কোড।
ওই মামলার সত্যাসত্য তদন্ত না করেই বাড্ডা থানা পুলিশ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার পিন্টুকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের উক্তি সত্যের পক্ষে অবিচল থাকায় সময় উপযোগী অপ-কৌশলের ব্যাড়াকলে ফাঁসানো হয়েছে পিন্টুর মত একজন পেশাদার সংবাদ কর্মীকে।
বিশেষ সূত্রে জানা যায় পেশাগত কারণে এলাকার সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তাদের প্রাপ্য অধিকার আদায়ে বিভিন্ন সময়ে বর্তমান ৩৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সেলিমের সাথে দীর্ঘদিন ধরে মনমালিন্য রয়েছে।
এছাড়াও এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকায় গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গোলাম সারোয়ার পিন্টু বর্তমান ডিএনসিসির ৩৮ নং ওয়ার্ডে সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। এসব কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশে সাংবাদিক পিন্টুর নামে মামলা দেয় কাউন্সিলর।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সাংবাদিকের মুক্তি ও ত্রাণ বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের প্রতি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ দাবি জানিয়েছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান


























