১২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হিলি থেকে ধান কাটার দুই’শ শ্রমিক পাঠানো হলো নাটোরে

হাওড়ের বোরো ধান কাটর জন্য হিলি থেকে প্রায় দুই’শ জন শ্রমিক পাঠানো হলো নাটোরের সিংড়া উপজেলায়। হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসব শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কাজের জন্য ছাড় পত্র দেয়া হয়। আজ শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফেউল আলম করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শ্রমিকদের কিভাবে চলাফেরা করতে হবে সেবিষয়ে নানা রকম দিক নির্দেশনা দেন। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমা নাজনীন উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফেউল আলম বলেন, হাওড় অঞ্চলের ধান কাটার শ্রমিক সংকটের কারণে এসব শ্রমিকদের সেখানে পাঠানো হলে। তিনি জানান, হিলিসহ আশপাশের বোরো ধান উঠতে এখনো ১৫ থেকে ২০ দিন দেরি হবে। এই সময়ের মধ্যে এসব শ্রমিকরা হাওড়ের ধান কেটে আবারো নিজ এলাকায় ফিরে আসবে। এতে এই অঞ্চলের ধান কাটার কোন সমস্যা হবেনা।

এদিকে চলমান লকডাউনের মাঝে কর্মহীন হয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হতো। শহর অঞ্চলে ত্রাণ দেয়া হলেও গ্রাম অঞ্চলে ত্রাণ পাওয়া যায়না। দীর্ঘদিন পর কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় পরিবার পরিজনদের নিয়ে আবারো ভালো থাকার পথ দেখছেন এসব শ্রমিকরা। শ্রমিকরা জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখেই তারা চলাফেরা করবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিলি থেকে ধান কাটার দুই’শ শ্রমিক পাঠানো হলো নাটোরে

প্রকাশিত : ১১:১৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

হাওড়ের বোরো ধান কাটর জন্য হিলি থেকে প্রায় দুই’শ জন শ্রমিক পাঠানো হলো নাটোরের সিংড়া উপজেলায়। হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসব শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কাজের জন্য ছাড় পত্র দেয়া হয়। আজ শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফেউল আলম করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শ্রমিকদের কিভাবে চলাফেরা করতে হবে সেবিষয়ে নানা রকম দিক নির্দেশনা দেন। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমা নাজনীন উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফেউল আলম বলেন, হাওড় অঞ্চলের ধান কাটার শ্রমিক সংকটের কারণে এসব শ্রমিকদের সেখানে পাঠানো হলে। তিনি জানান, হিলিসহ আশপাশের বোরো ধান উঠতে এখনো ১৫ থেকে ২০ দিন দেরি হবে। এই সময়ের মধ্যে এসব শ্রমিকরা হাওড়ের ধান কেটে আবারো নিজ এলাকায় ফিরে আসবে। এতে এই অঞ্চলের ধান কাটার কোন সমস্যা হবেনা।

এদিকে চলমান লকডাউনের মাঝে কর্মহীন হয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হতো। শহর অঞ্চলে ত্রাণ দেয়া হলেও গ্রাম অঞ্চলে ত্রাণ পাওয়া যায়না। দীর্ঘদিন পর কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় পরিবার পরিজনদের নিয়ে আবারো ভালো থাকার পথ দেখছেন এসব শ্রমিকরা। শ্রমিকরা জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখেই তারা চলাফেরা করবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান