০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

উকিল নোটিশ প্রত্যাহার না করলে খালেদার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উকিল নোটিশ প্রত্যাহার করা না হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো ওই উকিল নোটিশের জবাব দিতে ধানমন্ডিতে দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী এবং তার দুই পুত্রের দুর্নীতির খবর এখন বিশ্ব স্বীকৃত। বিদেশের আদালতও খালেদা জিয়ার দুই পুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাজা দিয়েছে। তারেক রহমানের হাওয়া ভবন ছিল বিএনপি সরকারের মধ্যকার আরেক সরকার। দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে হাওয়া ভবন থেকেই হাজার হাজার কোটি টাকা কমিশন আদায় করা হতো।

খালেদা জিয়ার দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার অর্থ পাচারের খবর বিশ্ব মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে। মিডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার দুর্নীতি সম্পর্কে মন্তব্য করেন। প্রচারিত একটি বিষয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে অবহিত করেছেন মাত্র।

হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা যখন সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন, ঠিক তখনই ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। মিডিয়াকে প্রভাবিত করতেই খালেদা জিয়ার এ কৌশল বলে মনে করি। এতে শেষ রক্ষা হবে না খালেদা জিয়ার।

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে, তাতে জনগণের দৃষ্টিকে সরানো যাবে না।

সংবাদ সম্মলনে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার এ উকিল নোটিশ পাঠানোর মানে হচ্ছে, ‘চোরের মায়ের বড় গলা।’ জিয়াউর রহমানের পুরাতন প্যান্ট কেটে তারেক রহমানের প্যান্ট বানিয়েছিল, খালেদা জিয়া এটি বিটিভিতে বহুদিন প্রচার করেছে। ভাঙা স্যুটকেস ছাড়া নাকি জিয়ার কিছুই ছিল না! সেই তারেক রহমান বিদেশের মাটিতে কিভাবে জীবনযাপন করছেন, তার তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্ত হওয়া দরকার বিএনপি আমলের হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

উকিল নোটিশ প্রত্যাহার না করলে খালেদার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ০৬:৪২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উকিল নোটিশ প্রত্যাহার করা না হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো ওই উকিল নোটিশের জবাব দিতে ধানমন্ডিতে দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী এবং তার দুই পুত্রের দুর্নীতির খবর এখন বিশ্ব স্বীকৃত। বিদেশের আদালতও খালেদা জিয়ার দুই পুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাজা দিয়েছে। তারেক রহমানের হাওয়া ভবন ছিল বিএনপি সরকারের মধ্যকার আরেক সরকার। দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে হাওয়া ভবন থেকেই হাজার হাজার কোটি টাকা কমিশন আদায় করা হতো।

খালেদা জিয়ার দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার অর্থ পাচারের খবর বিশ্ব মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে। মিডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার দুর্নীতি সম্পর্কে মন্তব্য করেন। প্রচারিত একটি বিষয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে অবহিত করেছেন মাত্র।

হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা যখন সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন, ঠিক তখনই ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। মিডিয়াকে প্রভাবিত করতেই খালেদা জিয়ার এ কৌশল বলে মনে করি। এতে শেষ রক্ষা হবে না খালেদা জিয়ার।

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে, তাতে জনগণের দৃষ্টিকে সরানো যাবে না।

সংবাদ সম্মলনে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার এ উকিল নোটিশ পাঠানোর মানে হচ্ছে, ‘চোরের মায়ের বড় গলা।’ জিয়াউর রহমানের পুরাতন প্যান্ট কেটে তারেক রহমানের প্যান্ট বানিয়েছিল, খালেদা জিয়া এটি বিটিভিতে বহুদিন প্রচার করেছে। ভাঙা স্যুটকেস ছাড়া নাকি জিয়ার কিছুই ছিল না! সেই তারেক রহমান বিদেশের মাটিতে কিভাবে জীবনযাপন করছেন, তার তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্ত হওয়া দরকার বিএনপি আমলের হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির।