০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
সাধারণ সম্পাদক বললেন “খুব শীঘ্রই সাধারণ সভা, সেখান থেকেই আসবে নির্বাচনের ঘোষণা”

সিবিএ-২৩৪ নির্বাচন নিয়ে সদস্যদের ক্ষোভ, দ্রুত ভোটের দাবি

চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত সিএন্ডএফ কর্মচারীদের সংগঠন “চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী ইউনিয়ন” (সিবিএ-২৩৪) এর নির্বাচন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ ও আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে। নির্ধারিত সময় পার হলেও নতুন নির্বাচন আয়োজন না করায় সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৬০ দিন বা দুই মাস আগে নির্বাচন কমিশন গঠনের নিয়মও রয়েছে। তবে সদস্যদের অভিযোগ, এসব নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসেবে বর্তমান কমিটির মেয়াদ তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পর আরও প্রায় পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন গঠন কিংবা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংগঠনের সদস্য রবিউল ইসলাম বর্তমান পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার পোস্টে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, অবসরকালীন ভাতা বৃদ্ধি, বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন এবং নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়।

তিনি লেখেন, নির্বাচনের আগে সাধারণ সদস্যদের অবসরকালীন ভাতা ৭ লাখ টাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা সদস্যদের জানানো হয়নি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন কেন নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং কেন এখনো নতুন নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

এ বিষয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর এরিয়ায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ছিল। সে কারণে আমরা সাধারণ সভা করতে পারিনি। খুব শীঘ্রই সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই সভা থেকেই নির্বাচনের ঘোষণা আসবে।”

তার এ বক্তব্যের পরও অনেক সদস্য দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন ও সুনির্দিষ্ট নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। সদস্যদের মতে, সংগঠনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সাধারণ সভা এবং সময়মতো নির্বাচন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ-২৩৪) চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর জেটি গেট এলাকার বারিক বিল্ডিংয়ে অবস্থিত। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত সিএন্ডএফ কর্মচারীদের অধিকার, কল্যাণ ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে আসছে।

ডিএস,./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সাধারণ সম্পাদক বললেন “খুব শীঘ্রই সাধারণ সভা, সেখান থেকেই আসবে নির্বাচনের ঘোষণা”

সিবিএ-২৩৪ নির্বাচন নিয়ে সদস্যদের ক্ষোভ, দ্রুত ভোটের দাবি

প্রকাশিত : ০৩:১৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত সিএন্ডএফ কর্মচারীদের সংগঠন “চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী ইউনিয়ন” (সিবিএ-২৩৪) এর নির্বাচন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ ও আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে। নির্ধারিত সময় পার হলেও নতুন নির্বাচন আয়োজন না করায় সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৬০ দিন বা দুই মাস আগে নির্বাচন কমিশন গঠনের নিয়মও রয়েছে। তবে সদস্যদের অভিযোগ, এসব নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসেবে বর্তমান কমিটির মেয়াদ তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পর আরও প্রায় পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন গঠন কিংবা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংগঠনের সদস্য রবিউল ইসলাম বর্তমান পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার পোস্টে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, অবসরকালীন ভাতা বৃদ্ধি, বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন এবং নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়।

তিনি লেখেন, নির্বাচনের আগে সাধারণ সদস্যদের অবসরকালীন ভাতা ৭ লাখ টাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা সদস্যদের জানানো হয়নি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন কেন নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং কেন এখনো নতুন নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

এ বিষয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর এরিয়ায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ছিল। সে কারণে আমরা সাধারণ সভা করতে পারিনি। খুব শীঘ্রই সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই সভা থেকেই নির্বাচনের ঘোষণা আসবে।”

তার এ বক্তব্যের পরও অনেক সদস্য দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন ও সুনির্দিষ্ট নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। সদস্যদের মতে, সংগঠনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সাধারণ সভা এবং সময়মতো নির্বাচন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ-২৩৪) চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর জেটি গেট এলাকার বারিক বিল্ডিংয়ে অবস্থিত। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত সিএন্ডএফ কর্মচারীদের অধিকার, কল্যাণ ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে আসছে।

ডিএস,./