পাবনা-২ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত নাম এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে তিনি কেবল বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাই নন, বরং এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। পাবনার জনমানুষের সেই আস্থার প্রতিফলন হিসেবেই এখন তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় পাবনা-২ এর জনগণ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এ নেতা পাবনা অঞ্চলের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রভাবশালী ভূমিকা রেখে আসছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দলীয় সংকটময় সময়েও তিনি মাঠ ছেড়ে যাননি। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা কিংবা আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে তার সক্রিয় উপস্থিতি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ আস্থা তৈরি করেছে।
জনগণের প্রত্যাশা: “মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই”
পাবনা-২ আসনের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই ভবিষ্যতে এ কে এম সেলিম রেজা হাবিবকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। স্থানীয়দের দাবি, তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের দক্ষতা জাতীয় পর্যায়ে কাজে লাগানো হলে শুধু পাবনা নয়, পুরো উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করেন, পাবনার সংসদীয় রাজনীতিতে যেসব নেতা দীর্ঘদিন ধরে জনগণের পাশে থেকেছেন, তাদের মধ্যে সেলিম রেজা হাবিব অন্যতম। বিশেষ করে শিক্ষা, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক উন্নয়নে তার পরিকল্পনা নিয়ে এলাকায় ইতোমধ্যে আলোচনা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোয় তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করতে সক্ষম নেতাদের মধ্যে তিনি একজন। মাঠকেন্দ্রিক রাজনীতির কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য।স্থানীয় পর্যায়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করেছে। অনেকেই মনে করেন, একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে ভবিষ্যতে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে আরও বড় দায়িত্ব পেতে পারেন।
পাবনা-২ আসনের জনগণের প্রত্যাশা এখন একটি জায়গায় এসে মিলেছে, তারা এমন একজন প্রতিনিধিকে দেখতে চান যিনি শুধু সংসদে নয়, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও থেকে এলাকার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। সেই আলোচনায় বারবার উঠে আসছে এ কে এম সেলিম রেজা হাবিবের নাম।স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের ভাষ্য, যদি ভবিষ্যতে তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান, তাহলে পাবনা অঞ্চলের অবকাঠামো, শিল্প, কৃষি ও যুব উন্নয়নে নতুন গতি আসতে পারে বলে জনগণের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
ডিএস./



















