০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আম্ফানের গতিমুখ সাতক্ষীরা-খুলনা উপকূলের দিকে, ৪ নম্বর সংকেত

ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দ্রুতই শক্তি বৃদ্ধি করছে। ফলে এটি বিপদও বাড়াচ্ছে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আম্পান সাতক্ষীরা অথবা সাতক্ষীরা-খুলনা উপকূল হয়ে সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

আকুওয়েদার ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া আম্ফানের সম্ভাব্য গতিপথে দেখা যায়, এটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

অন্যদিকে, সাইক্লোকেইন ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথ অনুযায়ী, আম্ফান আরো ডান দিকে সরে সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে, নয় নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আম্ফান সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি রোববার (১৭ মে) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রংপুরে ভোটের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার

আম্ফানের গতিমুখ সাতক্ষীরা-খুলনা উপকূলের দিকে, ৪ নম্বর সংকেত

প্রকাশিত : ১১:০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০

ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দ্রুতই শক্তি বৃদ্ধি করছে। ফলে এটি বিপদও বাড়াচ্ছে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আম্পান সাতক্ষীরা অথবা সাতক্ষীরা-খুলনা উপকূল হয়ে সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

আকুওয়েদার ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া আম্ফানের সম্ভাব্য গতিপথে দেখা যায়, এটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

অন্যদিকে, সাইক্লোকেইন ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথ অনুযায়ী, আম্ফান আরো ডান দিকে সরে সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে, নয় নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আম্ফান সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি রোববার (১৭ মে) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ