আজ শনিবার সকালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, তথ্য-প্রমাণ আছে বলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সৌদি আরবের সম্পদ নিয়ে অভিযোগ করেছেন।
গত ৭ ডিসেম্বর গণভবনে কম্বোডিয়া সফরের ওপর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানান, সৌদি আরবে জিয়া পরিবারের বিপুল সম্পদ রয়েছে। তবে এ নিয়ে দেশের বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ না করায় তা নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেন তিনি। সাংবাদিকরা বিনা পয়সায় শপিংয়ের সুযোগ পেয়ে এই খবর চেপে গেছেন কি না, তাও জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।
এরপরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে এ বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। এরপর এই বক্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ২০ ডিসেম্বর উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন খালেদা জিয়া।
এরই প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে করা এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘যে পরিমাণ দুর্নীতি, তার খুব কমই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। দুর্নীতির পরিমাণ এর চেয়ে অনেক বেশি। যেগুলো কাগজে এসেছে, যেগুলো তদন্তাধীন এবং দুর্নীতির যে কঠিন সত্যগুলো বেরিয়ে আসবে, তার শুরু মাত্র। আইনি নোটিশকে আমরা আইনের মাধ্যমেই মোকাবিলা করব।’
আজ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সেই কথার প্রতিধ্বনি করে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার উকিল নোটিশের জবাব যথাযথ আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে দেওয়া হবে। উকিল নোটিশ উকিলরাই দেখবেন, আইনগতভাবে তার জবাব দেওয়া হবে। নিশ্চয়ই তার পেছনে যথেষ্ট তথ্য আছে এবং সেটা প্রমাণ করা যাবে বলেই প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন।’
এ সময় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গোলাম শাহী আলমসহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
























