লালমনিরহাটে ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে পানি পরীক্ষাগারের কাজ এগিয়ে চলছে। এতে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পানি পরীক্ষায় পানি বাহিত নানাবিধ রোগ হতে মুক্ত থাকার পাশাপাশি জনগণের নাগরিক সুবিধা বাড়বে।
জানা গেছে, সরকার দেশের ৮টি বিভাগের অধীনস্ত ৫২ জেলায় পানির গুণগত মান পরীক্ষার জন্য পানি পরীক্ষাগার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই ৫২ জেলার মানুষ পানের জন্য সুপেয় বিশুদ্ধ পানি পাবেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৫২ জেলার মধ্যে ৫১ টি জেলায় কাজ শুরু হলেও লালমনিরহাটে পানি পরীক্ষাগারের কাজ শুরু হয়নি। তাই লালমনিরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাইন উদ্দিন যোগদানের পর অন্যান্য জেলার ন্যায় লালমনিরহাট জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের মাধ্যমে পানি পরীক্ষাগারের কাজ শুরু করেন। যার ঠিকাদারি প্রতিষ্টান হল, মেসার্স দৌলা এন্ড কোং, আলমনগর, রংপুর।
৪ তলা ভিত্তিতে ২ তলার কাজ বাস্তবায়নে ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন সরকার। এ ব্যাপারে লালমনিরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, এ জেলার ৫টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় বিশুদ্ধ পানির স্বল্পতা রয়েছে। তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। পানি পরীক্ষা করার জন্য রংপুর ও রাজশাহী যেতে হতো। কিন্তু কাজটি বাস্তবায়িত হলে এসব সমস্যা আর থাকবে না। খুব দ্রুত নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। নতুন পানি পরীক্ষা কার্যক্রম শক্তিশালী, গতিশীলতা বাড়ানো, পানি পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন পানি পরীক্ষাগারের সামগ্রিক সক্ষমতা বাড়বে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান




















