১০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বামদলে দু-চার নেতা ছাড়া কিছু নেই: অর্থমন্ত্রী

বামদলগুলোর দু-চার জন নেতা ছাড়া কিছু নেই। তারা কিছুই করতে পারে না। তাদের বাঁচতে হয়। এ জন্যই এসব করা। তারা যেটা করেছে এটা ননসেন্স ছাড়া কিছু না বলে মন্তব্য করেছেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তবে ব্যাংকিংখাত নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার কথা স্বীকার করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তদারকি সংস্থার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি দেয়া ছেলেখেলা।

উল্লেখ্য, সিপিবি ও বাসদ ব্যাংকিংখাত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-লুটপাটের প্রতিবাদে বুধবার বেলা ১২টায় বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের জন্য মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের দৈনিক বাংলা মোড়ে আটকে দেয়।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম বলেন, রাজনৈতক ছত্রছায়ায় দিনের পর দিন অর্থলুট হলেও দোষীদের কোনো বিচার হচ্ছে না। পাঁচ হাজার টাকা ঋণের জন্য কৃষককে জেলে নেয়া হয়। কিন্তু হাজার হাজার কোটি টাকা অনিয়ম হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

বামদলে দু-চার নেতা ছাড়া কিছু নেই: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪:৩৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

বামদলগুলোর দু-চার জন নেতা ছাড়া কিছু নেই। তারা কিছুই করতে পারে না। তাদের বাঁচতে হয়। এ জন্যই এসব করা। তারা যেটা করেছে এটা ননসেন্স ছাড়া কিছু না বলে মন্তব্য করেছেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তবে ব্যাংকিংখাত নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার কথা স্বীকার করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তদারকি সংস্থার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি দেয়া ছেলেখেলা।

উল্লেখ্য, সিপিবি ও বাসদ ব্যাংকিংখাত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-লুটপাটের প্রতিবাদে বুধবার বেলা ১২টায় বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের জন্য মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের দৈনিক বাংলা মোড়ে আটকে দেয়।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম বলেন, রাজনৈতক ছত্রছায়ায় দিনের পর দিন অর্থলুট হলেও দোষীদের কোনো বিচার হচ্ছে না। পাঁচ হাজার টাকা ঋণের জন্য কৃষককে জেলে নেয়া হয়। কিন্তু হাজার হাজার কোটি টাকা অনিয়ম হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।