০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সারা দেশে ধান-চাল মজুদদার পরিস্থিতির উপর পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে- খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, আমাদের এই মুহুর্তে যে পরিমান খাদ্য মজুদ রয়েছে, তাতে দেশে খাদ্যের কোন অভাব হবে না। আমরা শুধু বাজার থেকে ধান কিনি কৃষকদের নায্যমূল্য দেয়ার জন্য। এই মুহুর্তে আমাদের চুক্তিকৃত প্রায় ৭৫ ভাগ ধানচাল সংগ্রহ করতে পেরেছি। এতে আমাদের রেশনসহ যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় অসুবিধা হবে না। পর্যাপ্ত মজুদ আছে।
তিনি আজ বুধবার রাতে নিজ বাসভবনে জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ভোক্তারা যদি কষ্ট পায়। যদি বাজার অস্থিতিশীল বানানোর চেষ্টা করে, তাহলে আমাদের সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক করা আছে ৭ দিনের মধ্যে চাল আমদানী করতে পারব। মন্ত্রী আরও বলেন, যেহেতু আগামীকাল থেকে আমরা খাদ্য বান্ধব ৫০ লাখ পরিবারকে ৩০ টাকা কেজি করে চাল এবং সারা দেশে ৩০ টাকা কেজি করে ওএমএসের চাল দিব, সেখানে বাজার উর্ধ্বমুখী হওয়ার কোন স¤া^াবনা নেই। এছাড়াও সারা দেশে মজুদদার পরিস্থিতির উপর পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে। মনিটরিং টিম তৈরী করা হয়েছে এবং জেলায় জেলায় যাচাই বাচাইয়ের জন্য নেমে গেছে। যাচাই বাছাইয়ে সে রকম মজুদ থাকলে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিকার ও খাদ্য মন্ত্রনালয় খুচরা বাজার মনিটরিংয়ে সব সময় কাজ করছে।
জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক পাটোয়ারী, জেলা চাল কল মালিক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদারসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

 

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রী কলেজ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

সারা দেশে ধান-চাল মজুদদার পরিস্থিতির উপর পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে- খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, আমাদের এই মুহুর্তে যে পরিমান খাদ্য মজুদ রয়েছে, তাতে দেশে খাদ্যের কোন অভাব হবে না। আমরা শুধু বাজার থেকে ধান কিনি কৃষকদের নায্যমূল্য দেয়ার জন্য। এই মুহুর্তে আমাদের চুক্তিকৃত প্রায় ৭৫ ভাগ ধানচাল সংগ্রহ করতে পেরেছি। এতে আমাদের রেশনসহ যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় অসুবিধা হবে না। পর্যাপ্ত মজুদ আছে।
তিনি আজ বুধবার রাতে নিজ বাসভবনে জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ভোক্তারা যদি কষ্ট পায়। যদি বাজার অস্থিতিশীল বানানোর চেষ্টা করে, তাহলে আমাদের সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক করা আছে ৭ দিনের মধ্যে চাল আমদানী করতে পারব। মন্ত্রী আরও বলেন, যেহেতু আগামীকাল থেকে আমরা খাদ্য বান্ধব ৫০ লাখ পরিবারকে ৩০ টাকা কেজি করে চাল এবং সারা দেশে ৩০ টাকা কেজি করে ওএমএসের চাল দিব, সেখানে বাজার উর্ধ্বমুখী হওয়ার কোন স¤া^াবনা নেই। এছাড়াও সারা দেশে মজুদদার পরিস্থিতির উপর পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে। মনিটরিং টিম তৈরী করা হয়েছে এবং জেলায় জেলায় যাচাই বাচাইয়ের জন্য নেমে গেছে। যাচাই বাছাইয়ে সে রকম মজুদ থাকলে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিকার ও খাদ্য মন্ত্রনালয় খুচরা বাজার মনিটরিংয়ে সব সময় কাজ করছে।
জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক পাটোয়ারী, জেলা চাল কল মালিক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদারসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ