বলিউডের মাদকযোগ নিয়ে তৎপর নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর কার্যকলাপেও থেকে গেল বড় ফাঁক! প্রত্যেক দিন তাদের তদন্তে ভেসে আসছে নতুন বলি তারকাদের নাম। কিন্তু এত তৎপরতা সত্ত্বেও ঠিক কোথায় ভুল হল?
ইতিমধ্যেই দীপিকা, সারা, শ্রদ্ধার মতো প্রথম সারির নায়িকাদের জেরা করেছে এই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। তদন্তের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত করেছে তাঁদের ফোন, ক্রেডিট কার্ড। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, বয়ানও রেকর্ড হল। কিন্তু শেষে অভিযুক্তদের দিয়ে স্বাক্ষর করাতেই ভুলে গেলেন আধিকারিকরা।মুম্বইয়ের সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে, জেরার শেষে সারা এবং শ্রদ্ধার স্বাক্ষর না নিয়েই তাঁদের ছেড়ে দেয় এনসিবি। দু’দিন পর এন সিবির আধিকারিকরা নায়িকাদের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হন, সই নেওয়ার জন্য।
সারা আলি খান সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর পরিবর্তের বাড়ির কর্মচারীদের এক জন সই করেন। সারা এবং শ্রদ্ধাকে ব্যালারড এস্টেটে জেরা করা হলেও দীপিকাকে কোলাবার একটি গেস্ট হাউজে নিয়ে আসা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। সেখানে তাঁর ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশও উপস্থিত ছিলেন। মুখোমুখি দু’জনকে বসিয়ে জেরা করে এনসিবি।
এনসিবি যখন তাদের তদন্ত এগিয়ে নিয়ে চলেছে, তখন সুশান্তের মৃত্যু তদন্তের ভারপ্রাপ্ত সিবিআইয়ের উপর উঠছিল গাফিলতির অভিযোগ। যদিও সিবিআইয়ের দাবি, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সমস্ত দিক।
পাশাপাশি সুশান্তের ম্যানেজার জয়া সাহাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর বয়ান এবং ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে বলিউডের আরও নামের খোঁজ পায় এনসিবি। সেখানেই ২০১৭ সালের একটি চ্যাটে উল্লেখিত ‘ডি’ এবং ‘কে’-র সূত্র ধরেই এনসিবি দীপিকা এবং তাঁর ম্যানেজার করিশ্মাকে সমন জারি করে। জেরায় দীপিকা ওই চ্যাটের কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছেন তিনি নিজে মাদক নেননি। অবশ্য বাকি তিন জনের নাম উঠে আসে রিয়াকে জেরা করার সময়।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ


























