০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্ষণ একটি নিকৃষ্টতম অপরাধ। ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ইউএনএফপিএর কারিগরি সহায়তায় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘এসপিসিপিডি’ প্রকল্পের আওতায় ‘কনসার্টেড রেসপন্স টু স্টপ চাইল্ড ম্যারেজ, প্রিভেন্ট জেন্ডার বেসড ভায়োলেন্স এন্ড ইম্প্রুভ মেটার্নাল হেলথ ডিউরিং নেচারাল ডিসেস্টার এন্ড কোভিড-১৯ পেন্ডেমিক’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন।

স্পিকার বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে আরো সংবেদনশীল ও সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সচেতনতা প্রয়োজন। কোভিডকালীন সময়ে পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা গ্রহণের মাধ্যমে মা-শিশু-নারীদের নির্যাতন থেকে সুরক্ষিত রাখতে ও তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এসপিসিপিডি আয়োজিত আজকের পলিসি ডায়ালগ থেকে আগামীতে প্লান অব অ্যাকশন নির্ধারণ করা যেতে পারে। নারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে হবে।

শিরীন শারমিন বলেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনায় কঠোর আইন প্রণয়ন ও এর বাস্তবায়নের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, এসপিসিডি প্রকল্পের অধীনে তিনটি সাবকমিটি জনসংখ্যা উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যেমন-বাল্যবিবাহ রোধ, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু রোধ, যুব উন্নয়ন, কিশোরীদের অধিকার নিশ্চিতকরণে সফলতার সাথে কাজ করছে। এ উদ্দেশ্যে সংসদ সচিবালয়ের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে তৃণমূল পর্যায়ে সরাসরি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয় যা অত্যন্ত কার্যকর।

স্পিকার বলেন, অভিভাবদেরকে কন্যাসন্তানদের বোঝা মনে না করে, বরং তাদের সম্পদ হিসেবে গণ্য করে এবং অল্প বয়সে তাদের বিয়ে না দিয়ে শিক্ষার দিকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগী করতে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা যেতে পারে। বাল্যবিবাহ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক সাবকমিটির আহ্বায়ক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন।

সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আসম ফিরোজ, আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন খসরু ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো ও ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি ড. আশা টর্কেলসন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন। বাল্য বিবাহ রোধ ও লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ উপ-কমিটির সদস্য আরমা দত্ত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার

প্রকাশিত : ০৭:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্ষণ একটি নিকৃষ্টতম অপরাধ। ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ইউএনএফপিএর কারিগরি সহায়তায় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘এসপিসিপিডি’ প্রকল্পের আওতায় ‘কনসার্টেড রেসপন্স টু স্টপ চাইল্ড ম্যারেজ, প্রিভেন্ট জেন্ডার বেসড ভায়োলেন্স এন্ড ইম্প্রুভ মেটার্নাল হেলথ ডিউরিং নেচারাল ডিসেস্টার এন্ড কোভিড-১৯ পেন্ডেমিক’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন।

স্পিকার বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে আরো সংবেদনশীল ও সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সচেতনতা প্রয়োজন। কোভিডকালীন সময়ে পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা গ্রহণের মাধ্যমে মা-শিশু-নারীদের নির্যাতন থেকে সুরক্ষিত রাখতে ও তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এসপিসিপিডি আয়োজিত আজকের পলিসি ডায়ালগ থেকে আগামীতে প্লান অব অ্যাকশন নির্ধারণ করা যেতে পারে। নারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে হবে।

শিরীন শারমিন বলেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনায় কঠোর আইন প্রণয়ন ও এর বাস্তবায়নের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, এসপিসিডি প্রকল্পের অধীনে তিনটি সাবকমিটি জনসংখ্যা উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যেমন-বাল্যবিবাহ রোধ, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু রোধ, যুব উন্নয়ন, কিশোরীদের অধিকার নিশ্চিতকরণে সফলতার সাথে কাজ করছে। এ উদ্দেশ্যে সংসদ সচিবালয়ের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে তৃণমূল পর্যায়ে সরাসরি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয় যা অত্যন্ত কার্যকর।

স্পিকার বলেন, অভিভাবদেরকে কন্যাসন্তানদের বোঝা মনে না করে, বরং তাদের সম্পদ হিসেবে গণ্য করে এবং অল্প বয়সে তাদের বিয়ে না দিয়ে শিক্ষার দিকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগী করতে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা যেতে পারে। বাল্যবিবাহ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক সাবকমিটির আহ্বায়ক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন।

সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আসম ফিরোজ, আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন খসরু ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো ও ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি ড. আশা টর্কেলসন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন। বাল্য বিবাহ রোধ ও লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ উপ-কমিটির সদস্য আরমা দত্ত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ