ঢাকা ভোর ৫:৪০, রবিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফেসবুক নিয়ে সাবেক কর্মীর বিস্ফোরক অভিযোগ

‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক নিজের সাফ ইমেজ বজায় রাখতে সংস্থাটির ওপর রাজনৈতিক প্রভাব নেই বলে উল্লেখ করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন’, এমনই এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ফেসবুকের সাবেক এক কর্মী। এমনকি ফেসবুকের ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়েও তিনি কথা বলেছেন।

মার্ক লাকি নামের ফেসবুকের সাবেক ওই কর্মী তার অভিযোগে বলেছেন, ‘ফেসবুক নিজের সাফ ইমেজ বজায় রাখতে সব সময় বিশ্বকে দেখাতে যায়, তাদের ওপরে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নেই। কিন্তু বাস্তবে যতটা দাবি করা হয় ব্যাপারটা তা নয়।’

গত কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকের বিরুদ্ধে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড বিষয়ে হেরফেরের অভিযোগ উঠেছে। এবার সামাজিক এ যোগাযোগ মাধ্যমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এ কর্মী।

ফেসবুক সম্পর্কে বেশ কয়েকটি অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি বিধানসভার ‘পিস অ্যান্ড হারমনি’ কমিটি যে শুনানি শুরু করেছে সেখানেই বক্তব্য রাখেন তিনি। কমিটির পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব দাবি করা হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

যদিও লাকির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কিছুই জানাননি ফেসবুকের মুখপাত্র। মার্ক লাকির দাবি, ফেসবুকের শীর্ষ পদ তাদেরই দেয়া হয় যাদের সরকারি অথবা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংযোগ ভালো।

কমিটির বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ওই কর্মী ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। মারাত্মক সত্য উদঘাটন করেছেন তিনি। যার ফলে সারা পৃথিবীতে ও আঞ্চলিকভাবে ফেসবুকের সাংগঠনিক কাঠামোর বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে। কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের বিষয়ে আপস করার কথাও ওই কর্মীর কথা উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করে কমিটি।

ভার্চুয়াল ওই জবানবন্দিতে ফেসবুকের ওই কর্মী দাবি করেন, কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের অপব্যবহার ও নিষ্ক্রিয়তার বিষয়টি ফেসবুকের এক্সিকিউটিভ কমিটি ভালো করেই জানে। এমনকি বিষয়টি অজানা নয় খোদ মার্ক জুকারবার্গেরও।

ফেসবুকের নানা কনটেন্ট নিয়ে বহু অভিযোগ উঠেছে। সেই বিষয়েই তদন্ত শুরু করেছে এই কমিটি। এখন পর্যন্ত ৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ও ডিজিটাল অধিকার কর্মীরাও।

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

এ বিভাগের আরও সংবাদ