১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের পরিকল্পনা নেই: তিউনিসিয়া

প্রতিবেশী মরক্কোর পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেছিছিল।

সোমবার ফরাসি গণমাধ্যম ফ্রান্স-টুয়েটিফোরকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের বিষয়টি তিউনিসিয়ার আলোচ্যসূচিতে নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মরক্কোর সিদ্ধান্তকে সম্মান করে তার দেশ।

‘প্রত্যেকটি দেশের নিজস্ব বাস্তবতা, নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, নিজেদের কূটনৈতিক শিষ্টাচার রয়েছে। যার মাধ্যমে ওই রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে ভালো জিনিসটি বিবেচনা করেন।’ বলেন মিছিছিল। ‘আমরা মরক্কোর সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। মরক্কো আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। তাদের আমরা অনেক বেশি ভালোবাসি।’

সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সুদানের পর চলতি বছর চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের চুক্তি করে মরক্কো।

পশ্চিম সাহারায় মরক্কোর সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর বিনিময়ে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকে রাজি হয় মরক্কো। স্পেন সরে যাওয়ার পর পশ্চিম সাহারা নিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে ১৯৭৫ সাল থেকে লড়াই করে যাচ্ছে দেশটি।

পশ্চিম সাহারাকে স্বাশাসিত অঞ্চল হিসেবে গণ্য করে জাতিসংঘ। আফ্রিকান ইউনিয়ন, ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও জাতিসংঘের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।

মরক্কোর সিদ্ধান্ত মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে। চুক্তির পক্ষে জনসমাবেশের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। কিন্তু চুক্তির বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের প্রদর্শনকে অনুৎসাহী করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের পরিকল্পনা নেই: তিউনিসিয়া

প্রকাশিত : ১০:৪২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

প্রতিবেশী মরক্কোর পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেছিছিল।

সোমবার ফরাসি গণমাধ্যম ফ্রান্স-টুয়েটিফোরকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের বিষয়টি তিউনিসিয়ার আলোচ্যসূচিতে নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মরক্কোর সিদ্ধান্তকে সম্মান করে তার দেশ।

‘প্রত্যেকটি দেশের নিজস্ব বাস্তবতা, নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, নিজেদের কূটনৈতিক শিষ্টাচার রয়েছে। যার মাধ্যমে ওই রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে ভালো জিনিসটি বিবেচনা করেন।’ বলেন মিছিছিল। ‘আমরা মরক্কোর সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। মরক্কো আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। তাদের আমরা অনেক বেশি ভালোবাসি।’

সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সুদানের পর চলতি বছর চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের চুক্তি করে মরক্কো।

পশ্চিম সাহারায় মরক্কোর সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর বিনিময়ে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকে রাজি হয় মরক্কো। স্পেন সরে যাওয়ার পর পশ্চিম সাহারা নিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে ১৯৭৫ সাল থেকে লড়াই করে যাচ্ছে দেশটি।

পশ্চিম সাহারাকে স্বাশাসিত অঞ্চল হিসেবে গণ্য করে জাতিসংঘ। আফ্রিকান ইউনিয়ন, ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও জাতিসংঘের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।

মরক্কোর সিদ্ধান্ত মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে। চুক্তির পক্ষে জনসমাবেশের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। কিন্তু চুক্তির বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের প্রদর্শনকে অনুৎসাহী করা হয়েছে।