০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদাবাজি: ওসিসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে নামবে ডিবি

চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার ওসি মিজানুর রহমানসহ ওই থানার ৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করা মামলা গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলা তদন্ত করতে গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন সিএমএম আদালত।

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার ৫ আসামি হলেন- কোতোয়ালি থানার এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশের সোর্স দেলোয়ার হোসেন।

গত ১৭ নভেম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। ২ লাখ টাকা দিতে না পারায় ১০ পিস ইয়াবার মামলা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন ব্যবসায়ী রহিম।

যেখানে বলা হয়, ওসির দাবি করা ২ লাখ টাকার মধ্যে দুই দফায় ৬৩ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার দিলেও, ব্যবসায়ী রহিমকে ১০ পিস ইয়াবার মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। ১৭ দিন জেলখাটার পর ৩০ অক্টোবর মুক্তি পান ব্যবসায়ী রহিম। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ব্যবসায়ীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কোতোয়ালি থানার ৩ পুলিশ ও সোর্সের বিরুদ্ধে। থানায় যাওয়ার পর ওসি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ওই ব্যবসায়ীর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ

চাঁদাবাজি: ওসিসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে নামবে ডিবি

প্রকাশিত : ০৮:১০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২০

চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার ওসি মিজানুর রহমানসহ ওই থানার ৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করা মামলা গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলা তদন্ত করতে গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন সিএমএম আদালত।

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার ৫ আসামি হলেন- কোতোয়ালি থানার এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশের সোর্স দেলোয়ার হোসেন।

গত ১৭ নভেম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। ২ লাখ টাকা দিতে না পারায় ১০ পিস ইয়াবার মামলা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন ব্যবসায়ী রহিম।

যেখানে বলা হয়, ওসির দাবি করা ২ লাখ টাকার মধ্যে দুই দফায় ৬৩ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার দিলেও, ব্যবসায়ী রহিমকে ১০ পিস ইয়াবার মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। ১৭ দিন জেলখাটার পর ৩০ অক্টোবর মুক্তি পান ব্যবসায়ী রহিম। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ব্যবসায়ীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কোতোয়ালি থানার ৩ পুলিশ ও সোর্সের বিরুদ্ধে। থানায় যাওয়ার পর ওসি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ওই ব্যবসায়ীর।