বুড়িগঙ্গা পাড়ের সোয়ারি ঘাট। ঐতিহ্যবাহী এই আড়তে ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে আগের মতো জৌলুস না থাকলেও বেচাকেনা শুরু হয় ভোর থেকেই। চলে সকাল ১১টা পর্যন্ত। যদিও রাস্তার পাশে ভবন নির্মাণসহ নানা কারণেই দিন দিন কমছে এ আড়তের আয়তন। রাজধানীর এই পুরনো পাইকারি আড়তে শুক্রবার ছুটির দিন (৮ জানুয়ারি) ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ছোট-বড় মাছের দাম।
এ বাজারে মাছ আসে চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা ও হাতিয়া অঞ্চল থেকে। বাজারে পাঙাশ ১২০, রুই ১৫০ থেকে ৩০০, কাতলা ২২০, চিতল ৫০০, তেলাপিয়া- ৮৫ থেকে ১০০ টাকা, বড় সাইজের বোয়াল ও আইড় বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়। সমুদ্রের কোরাল ৫০০-৬০০ টাকা, পোয়া ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা। দাম কমেছে কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত।
বড় মাছের পাইকার ও আড়তদাররা বলছেন, বাজারে আমদানি কম মাছের। ক্রেতা সংকট থাকায় দাম কমেছে অনেকটা। গত তিন মাস ধরে বাজারে এমন অবস্থা বিরাজ করছে বলেও জানান তারা। ঘাট থেকে বা জেলারগুলোর মৎস্য আড়ত থেকে যে দামে মাছ কিনতে হয় সে দামেও বিক্রি করতে না পারার কথা জানান অনেকে।
শুক্রবারে আয়েশি ক্রেতারা বড় মাছের দোকানে ভিড় করলেও ছোট মাছ কেনাতেও কমতি ছিল না ক্রেতা উপস্থিতি। সরবরাহ বেশি থাকায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমে পাঁচমিশালি মাছ ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০, টাকি-পুঁটি ১০০ টাকা, কই-১২০ টাকা, শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকায়।
ছোট মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবারে ছোট মাছের আমদানি বেশি থাকলেও ক্রেতা থাকে কম। এ জন্য প্রায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি মাছের দাম। শীতের শেষে নদী. খাল-বিলে পানি কম থাকায় মাছ শিকার ভালো থাকায় এখন দাম কমেছে। তবে কিছুদিন পর মাছের সরবরাহ আরও কমে এলে দাম বাড়বে বলে জানান তারা।
এদিকে কেজিতে এক থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে ইলিশের দাম। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা দরে। তবে শীতের মধ্যে সরবরাহ সংকটের কথা জানান পাইকার ও ক্রেতারা। এ জন্য দাম চড়া ইলিশের।



















