০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ঐতিহ্য ফেরাতে নবাবগঞ্জে গরু দৌড় প্রতিযোগিতা

কালের পরিক্রমায় অনেকটা হারিয়েই যেতে বসেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য গরু দৌড় প্রতিযোগিতা। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকার নবাবগঞ্জের যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চন্দ্রখালার কালিবাড়ির গরু দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন স্থানীয়রা। বাংলা পঞ্জিকা হিসাবে পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।

প্রতিযোগিতা দেখতে দুপর ১টার পর থেকেই নানা বয়সী মানুষ দলে দলে ছুটে আসে। মুহূর্তে মাঠের চারপাশ ভরে যায়। তবে করোনার কারণে এবার দর্শকের উপস্থিতি কিছুটা কম। অনুষ্ঠানস্থলকে ঘিরে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গ্রাম্য মেলা বসে। মেলায় দোকানিরা খাবারের রকমারি পসরা সাজিয়ে বসেন। সেখানেও উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা বিনয় জানান, প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিনে এ উৎসব পালন করা হয়। কয়েকশ’ বছর ধরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

একই এলাকার রাজু আহম্মেদ বলেন, মেলা উপলক্ষ্যে কয়েক দিন আগে থেকে আশপাশের বাড়িগুলোতে বাড়তে থাকে অতিথির সংখ্যা। তাদের আপ্যায়নের জন্য রকমারি পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়।

কান্দামাত্রা গ্রামের বিমলা দাসী বলেন, অনেক দিনের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্যই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

ঐতিহ্য ফেরাতে নবাবগঞ্জে গরু দৌড় প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত : ১০:০৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

কালের পরিক্রমায় অনেকটা হারিয়েই যেতে বসেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য গরু দৌড় প্রতিযোগিতা। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকার নবাবগঞ্জের যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চন্দ্রখালার কালিবাড়ির গরু দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন স্থানীয়রা। বাংলা পঞ্জিকা হিসাবে পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।

প্রতিযোগিতা দেখতে দুপর ১টার পর থেকেই নানা বয়সী মানুষ দলে দলে ছুটে আসে। মুহূর্তে মাঠের চারপাশ ভরে যায়। তবে করোনার কারণে এবার দর্শকের উপস্থিতি কিছুটা কম। অনুষ্ঠানস্থলকে ঘিরে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গ্রাম্য মেলা বসে। মেলায় দোকানিরা খাবারের রকমারি পসরা সাজিয়ে বসেন। সেখানেও উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা বিনয় জানান, প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিনে এ উৎসব পালন করা হয়। কয়েকশ’ বছর ধরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

একই এলাকার রাজু আহম্মেদ বলেন, মেলা উপলক্ষ্যে কয়েক দিন আগে থেকে আশপাশের বাড়িগুলোতে বাড়তে থাকে অতিথির সংখ্যা। তাদের আপ্যায়নের জন্য রকমারি পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়।

কান্দামাত্রা গ্রামের বিমলা দাসী বলেন, অনেক দিনের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্যই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর