০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ধীরে ধীরে সাগর গিলে খাচ্ছে বসতভিটা

গত ২০ বছরে প্রায় দেড় কিলোমিটার আয়তন হারিয়েছে সেন্ট মার্টিন। নদীভাঙনের মতো জানান দিয়ে নয়, ধীরে ধীরে সাগর গিলে খাচ্ছে বহু বসতভিটা। দ্বীপ রক্ষায় কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা খুব একটা কাজে দিচ্ছে না। তাই বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তাদের। 

৭০ পেরিয়েছেন আব্দুর রহমান। তিন পুরুষের জন্ম এখানেই, এখানেই বাস। কর্মহীন এই বয়সে সাগর জলে স্মৃতি হাতরানো। উত্তাল খুঁজে ফেরা ফেলে আসা জীবনের গল্প।

বৃদ্ধ আব্দুর রহমান বলছেন, শৈশব কেটেছে যে ভূমিতে সেখানে আজ সাগরের অতল জল। গেল ৬ দশকে এই পাশটাতেই প্রায় এক কিলোমিটার গিলে ফেলেছে সাগর।

সাগর অনেকটাই কৌশলী। নদীভাঙনের মতো চোখে লাগে না তার তাণ্ডব। তাই আরো জানতে কথা হয় এলাকা এক জনপ্রতিনিধির সঙ্গে। বয়সী আব্দুর রহমানের সঙ্গে মিলে যায় দুয়ে দুয়ে চার। চল্লিশে পা দেয়া হয়নি অথচ সাক্ষী অনেক বিলীনের।

নদীর মতো বালুর বস্তা দিয়ে কয়েক জায়গায় ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হলেও তা টিকছে না একেবারেই সাগরের বিশালতার কাছে। উত্তাল দরিয়ার সঙ্গে দিনরাত যুদ্ধ করা মানুষ বলছে, এ পাড়ে বাধ হতে হবে প্রবালের।

আজকাল পর্যটকদের ও চোখ এড়ায়না বিষয়টি তারাও বলছেন, যে কোন মূল্যেই এখনই দরকার এই দিকে নজর দেওয়ার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্যাটারি চালিত অটোর ভেতর ‘স্মার্ট মোবাইল বিউটি পার্লার’

ধীরে ধীরে সাগর গিলে খাচ্ছে বসতভিটা

প্রকাশিত : ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১

গত ২০ বছরে প্রায় দেড় কিলোমিটার আয়তন হারিয়েছে সেন্ট মার্টিন। নদীভাঙনের মতো জানান দিয়ে নয়, ধীরে ধীরে সাগর গিলে খাচ্ছে বহু বসতভিটা। দ্বীপ রক্ষায় কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা খুব একটা কাজে দিচ্ছে না। তাই বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তাদের। 

৭০ পেরিয়েছেন আব্দুর রহমান। তিন পুরুষের জন্ম এখানেই, এখানেই বাস। কর্মহীন এই বয়সে সাগর জলে স্মৃতি হাতরানো। উত্তাল খুঁজে ফেরা ফেলে আসা জীবনের গল্প।

বৃদ্ধ আব্দুর রহমান বলছেন, শৈশব কেটেছে যে ভূমিতে সেখানে আজ সাগরের অতল জল। গেল ৬ দশকে এই পাশটাতেই প্রায় এক কিলোমিটার গিলে ফেলেছে সাগর।

সাগর অনেকটাই কৌশলী। নদীভাঙনের মতো চোখে লাগে না তার তাণ্ডব। তাই আরো জানতে কথা হয় এলাকা এক জনপ্রতিনিধির সঙ্গে। বয়সী আব্দুর রহমানের সঙ্গে মিলে যায় দুয়ে দুয়ে চার। চল্লিশে পা দেয়া হয়নি অথচ সাক্ষী অনেক বিলীনের।

নদীর মতো বালুর বস্তা দিয়ে কয়েক জায়গায় ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হলেও তা টিকছে না একেবারেই সাগরের বিশালতার কাছে। উত্তাল দরিয়ার সঙ্গে দিনরাত যুদ্ধ করা মানুষ বলছে, এ পাড়ে বাধ হতে হবে প্রবালের।

আজকাল পর্যটকদের ও চোখ এড়ায়না বিষয়টি তারাও বলছেন, যে কোন মূল্যেই এখনই দরকার এই দিকে নজর দেওয়ার।