১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

শীতে নওগাঁর জনজীবনে স্থবিরতা

হিম বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় নওগাঁর জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। বরেন্দ্র এলাকায় গত দেড় সপ্তাহ ধরে ৭ থেকে ৯ ডিগ্রি ওঠানামা করছে তাপমাত্রা। ভোর থেকে কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পথঘাট। দিনভর দেখা মিলছে না রোদের। কষ্ট বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। অসহনীয় এ তাপমাত্রায় বেড়েছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ। আপদকালীন এ আবহাওয়ায় বাসি খাবার পরিহারের পাশাপাশি গরম পানি পানের পরামর্শ চিকিৎসকদের।

রাত থেকেই ঘন কুয়াশার সঙ্গে হালকা বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির। অনুভূত হচ্ছে কনকনে ঠান্ডা। এ অবস্থায় স্টেশন বা ফুটপাতে রাত কাটানো ছিন্নমূল মানুষের কষ্টের সীমা নেই।

গত এক সপ্তাহ ধরেই বৈরী আবহাওয়ায় নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা । হতদরিদ্ররা একটু গরম পেতে পথেঘাটে আগুন জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শরীরের তাপ বাড়ানোর।

এদিকে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতজনিত নানা রোগের প্রকোপ। শিশু ও বয়স্করাই আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। জেলার সদর হাসপাতালে ১০ বেডের বিপরীতে ভর্তি থাকছে ৪০ জনের বেশি শিশু।

একদিকে বেড সংকট অন্যদিকে বাড়তি রোগীর চাপে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁ সদর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স সেলিনা সুলতানা।

এ বৈরী আবহাওয়া থেকে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি আলাদা নজর দেওয়াসহ বাসি খাবার পরিহার করার পরামর্শ দিয়েছেন নওগাঁ সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. লুৎফর রহমান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত এক সপ্তাহে ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালে সাড়ে ৭ হাজার রোগী আউটডরে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নবীগঞ্জে বীমা কোম্পানির গ্রাহক সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

শীতে নওগাঁর জনজীবনে স্থবিরতা

প্রকাশিত : ১০:৩৯:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

হিম বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় নওগাঁর জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। বরেন্দ্র এলাকায় গত দেড় সপ্তাহ ধরে ৭ থেকে ৯ ডিগ্রি ওঠানামা করছে তাপমাত্রা। ভোর থেকে কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পথঘাট। দিনভর দেখা মিলছে না রোদের। কষ্ট বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। অসহনীয় এ তাপমাত্রায় বেড়েছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ। আপদকালীন এ আবহাওয়ায় বাসি খাবার পরিহারের পাশাপাশি গরম পানি পানের পরামর্শ চিকিৎসকদের।

রাত থেকেই ঘন কুয়াশার সঙ্গে হালকা বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির। অনুভূত হচ্ছে কনকনে ঠান্ডা। এ অবস্থায় স্টেশন বা ফুটপাতে রাত কাটানো ছিন্নমূল মানুষের কষ্টের সীমা নেই।

গত এক সপ্তাহ ধরেই বৈরী আবহাওয়ায় নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা । হতদরিদ্ররা একটু গরম পেতে পথেঘাটে আগুন জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শরীরের তাপ বাড়ানোর।

এদিকে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতজনিত নানা রোগের প্রকোপ। শিশু ও বয়স্করাই আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। জেলার সদর হাসপাতালে ১০ বেডের বিপরীতে ভর্তি থাকছে ৪০ জনের বেশি শিশু।

একদিকে বেড সংকট অন্যদিকে বাড়তি রোগীর চাপে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁ সদর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স সেলিনা সুলতানা।

এ বৈরী আবহাওয়া থেকে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি আলাদা নজর দেওয়াসহ বাসি খাবার পরিহার করার পরামর্শ দিয়েছেন নওগাঁ সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. লুৎফর রহমান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত এক সপ্তাহে ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালে সাড়ে ৭ হাজার রোগী আউটডরে চিকিৎসা নিয়েছেন।