০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

মানিকগঞ্জে গত এক বছরে ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে
অভিযান পরিচালনা করে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকার রাজস্ব আদায়
হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালেও এ সময় মোটরযান আইন অনুযায়ী মামলা
হয়েছে ৮৪৪ টি।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) মোহাম্মদ আবুল হোসন গাজী
দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মানিকগঞ্জ জেলা ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ অফিস সূত্র জানায়, ট্রাফিক আইন
অমান্য, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিট না থাকা, বেপরোয়া গাড়ি চালানো,
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকাসহ নানা অপরাধের দায়ে জেলার বিভিন্ন সড়কে
চলাচলকারী বাস, মিনিবাস, ট্রাক, পিকআপ, ক্যাভার্ড ভ্যান, ট্যাংকলরি ও
রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ট্রাফিক পুলিশের অভিযানের মুখে গত এক বছরে ৮৪৪ টি মামলা দায়ের করা
হয়েছে।তম্মধ্যে নতুন ম্যানুয়েলেমামলা দায়ের করা হয়েছে ৫১০ টি। এসব মামলার
বিপরীতে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৩ লাখ ৬ হাজার
৫০০ টাকা। এর মধ্যে ২০২০ সালে জানুয়ারী মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
ফেব্রুয়ারী মাসে ৭৮ হাজার ১০০ টাকা, মার্চ মাসে ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা,
এপ্রিল মাসে ৩২ হাজার ২০০ টাকা, মে মাসে ১১ হাজার ৪০০ টাকা, জুন মাসে ১
লাখ ৭ হাজার ৩৫০ টাকা, জুলাই মাসে ১ লাখ ৩২ হাজার ১০০ টাকা, আগষ্ট মাসে
৩ লাখ ১৯ হাজার  টাকা, সেপ্টেম্বর মাসে ৩ লাখ ২ হাজার ৯৫০ টাকা, অক্টোবর
মাসে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা, ণভেম্বর মাসে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭০০ টাকা এবং
ডিসেম্বর মাসে ৪ লাখ ৬০০ টাকা। যা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি
কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া পুলিশ সুপারের নির্দেশে রেজিস্ট্রিবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে
অভিযান পরিচালনার কারণে ২০২০ সাল থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২ হাজার
৯৩২টি মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয়। এতে গত এক বছরে প্রায় ৩ কোটি ৮
লাখ ৪০ হাজার  টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

মানিকগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মাহবুব কামাল ঘটনার
সত্যতা স্বীকার করে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, বিভিন্ন রুটে পুলিশ
রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল আটক ও মামলা করায়  জেলায় রেজিস্ট্রেশনের
জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা অনেকাংশে বেড়ে গেছে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়
তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) মোহাম্মদ আবুল হোসন গাজী
বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালে আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুলিশকে
মানবিক আচরণ ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করতে হয়েছে। অচিরেই
করোনা কাল অতিক্রমের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সামনের দিনগুলোতে সরকারের
রাজস্ব আদায় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশকে
জানান, মোটরযান আইন অনুযায়ী এটা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম। তাই এ
কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনা সভাপতি, রিপন সাধারণ সম্পাদক

ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

প্রকাশিত : ০৩:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

মানিকগঞ্জে গত এক বছরে ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে
অভিযান পরিচালনা করে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকার রাজস্ব আদায়
হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালেও এ সময় মোটরযান আইন অনুযায়ী মামলা
হয়েছে ৮৪৪ টি।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) মোহাম্মদ আবুল হোসন গাজী
দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মানিকগঞ্জ জেলা ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ অফিস সূত্র জানায়, ট্রাফিক আইন
অমান্য, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিট না থাকা, বেপরোয়া গাড়ি চালানো,
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকাসহ নানা অপরাধের দায়ে জেলার বিভিন্ন সড়কে
চলাচলকারী বাস, মিনিবাস, ট্রাক, পিকআপ, ক্যাভার্ড ভ্যান, ট্যাংকলরি ও
রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ট্রাফিক পুলিশের অভিযানের মুখে গত এক বছরে ৮৪৪ টি মামলা দায়ের করা
হয়েছে।তম্মধ্যে নতুন ম্যানুয়েলেমামলা দায়ের করা হয়েছে ৫১০ টি। এসব মামলার
বিপরীতে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৩ লাখ ৬ হাজার
৫০০ টাকা। এর মধ্যে ২০২০ সালে জানুয়ারী মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
ফেব্রুয়ারী মাসে ৭৮ হাজার ১০০ টাকা, মার্চ মাসে ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা,
এপ্রিল মাসে ৩২ হাজার ২০০ টাকা, মে মাসে ১১ হাজার ৪০০ টাকা, জুন মাসে ১
লাখ ৭ হাজার ৩৫০ টাকা, জুলাই মাসে ১ লাখ ৩২ হাজার ১০০ টাকা, আগষ্ট মাসে
৩ লাখ ১৯ হাজার  টাকা, সেপ্টেম্বর মাসে ৩ লাখ ২ হাজার ৯৫০ টাকা, অক্টোবর
মাসে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা, ণভেম্বর মাসে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭০০ টাকা এবং
ডিসেম্বর মাসে ৪ লাখ ৬০০ টাকা। যা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি
কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া পুলিশ সুপারের নির্দেশে রেজিস্ট্রিবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে
অভিযান পরিচালনার কারণে ২০২০ সাল থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২ হাজার
৯৩২টি মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয়। এতে গত এক বছরে প্রায় ৩ কোটি ৮
লাখ ৪০ হাজার  টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

মানিকগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মাহবুব কামাল ঘটনার
সত্যতা স্বীকার করে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, বিভিন্ন রুটে পুলিশ
রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল আটক ও মামলা করায়  জেলায় রেজিস্ট্রেশনের
জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা অনেকাংশে বেড়ে গেছে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়
তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) মোহাম্মদ আবুল হোসন গাজী
বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালে আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুলিশকে
মানবিক আচরণ ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করতে হয়েছে। অচিরেই
করোনা কাল অতিক্রমের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সামনের দিনগুলোতে সরকারের
রাজস্ব আদায় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশকে
জানান, মোটরযান আইন অনুযায়ী এটা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম। তাই এ
কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।