০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সেনাবাহিনীতে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাৎ, আটক ৩

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।  হরিপুর উপজেলার রুহিয়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্কতা (ওসি) এসএম আরঙ্গজেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিন জনই প্রতারক চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ জানান, হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার প্রতারক চক্রের তিন সদস্য নাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান, মাইনুল ইসলাম রুহিয়া গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মামুন হককে আট লাখ টাকা চুক্তিতে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ইতোমধ্যে এক লাখ ৯৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

চাকরির কোনও অগ্রগতি দেখতে না পেয়ে মৌখিক চুক্তির বাকি টাকার জন্য প্রতারকদের জোরাজুরি দেখে মামুনের বাবা বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন। এই অবস্থায় আবারও প্রতারকরা বাকি টাকা নেওয়ার জন্য তার বাসায় হাজির হয়। সেই সঙ্গে চাকরির একটি ভুয়া কাগজ ধরিয়ে দেয়। মামুনের বাবা স্থানীয়দের ডেকে কাগজ যাচাই করলে সেটি ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়। পরে প্রতারকদের আটক করে হরিপুর থানা পুলিশকে খবর দেন তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের থানায় নিয়ে আসে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে অফিসে দেরি! মহাদেবপুরে খাদ্য কর্মকর্তার অদ্ভুত যুক্তি”

সেনাবাহিনীতে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাৎ, আটক ৩

প্রকাশিত : ০৪:০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।  হরিপুর উপজেলার রুহিয়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্কতা (ওসি) এসএম আরঙ্গজেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিন জনই প্রতারক চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ জানান, হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার প্রতারক চক্রের তিন সদস্য নাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান, মাইনুল ইসলাম রুহিয়া গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মামুন হককে আট লাখ টাকা চুক্তিতে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ইতোমধ্যে এক লাখ ৯৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

চাকরির কোনও অগ্রগতি দেখতে না পেয়ে মৌখিক চুক্তির বাকি টাকার জন্য প্রতারকদের জোরাজুরি দেখে মামুনের বাবা বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন। এই অবস্থায় আবারও প্রতারকরা বাকি টাকা নেওয়ার জন্য তার বাসায় হাজির হয়। সেই সঙ্গে চাকরির একটি ভুয়া কাগজ ধরিয়ে দেয়। মামুনের বাবা স্থানীয়দের ডেকে কাগজ যাচাই করলে সেটি ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়। পরে প্রতারকদের আটক করে হরিপুর থানা পুলিশকে খবর দেন তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের থানায় নিয়ে আসে।