০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

টাঙ্গাইলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি চিহ্নিত করার দাবিতে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চলে বসবাসকারী গারো-কোচ সম্প্রদায়দের উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ, আচিকমিচিক সোসাইটি, বাগাছাস, গাসু, জিএসএফ, আজিয়া, এসিডিএফ, কোচ আদিবাসী সংগঠন, জলছত্র হরিসভা, সিবিএনসি, ইআইপিএলআর, আবিমা আদিবাসী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ, পীরগাছা থাংআনি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডসহ ১৩ টি সংগঠনের ব্যানারে গড় এলাকার সহ¯্রাধিক গারো কোচ নারী পুরুষ ফেস্টুন ব্যানার হাতে নিয়ে রাস্তার দু পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাগাছাসের সভাপতি জন যেত্রার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক, জিএমএডিসির সভাপতি অজয় এ মৃ, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি উইলিয়াম দাজেল, আজিয়া সভাপতি মিঠুন হাগিদক, আচিকমিচিক সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সুলেখা ¤্রং, জিএসএফ’র সাধারণ সম্পাদক লিয়াং রিছিল, গাসু’র সভাপতি ইব্রীয় মানখিন, কোচ নেতা গৌরাঙ্গ বর্মন, বাগাছাস’র সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ, বাগাছাস নেতা শ্যামল মানখিন ও সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহম্মেদ নাসির, শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, ফুলবাগচালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু, বেরীবাইদ ইউপি চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন, অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম।
সমাবেশে বক্তারা ৬ দফা দাবি জানিয়ে বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি চিহ্নিত করা হোক। মধুপুর বনাঞ্চলের সংরক্ষিত, জাতীয় উদ্যান, ইকোপার্ক ঘোষণাকে বাতিল করে তাদের সাথে অর্থপূর্ণ আলোচনার ব্যবস্থা করা। ১৯৮২ সালের আতিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিল করে তাদের রেকর্ড জমির খাজনা নেওয়া বন্ধ আবার চালু করার ব্যবস্থা করা। তাদের স্বত্বদখলীয় ভূমি সমূহ স্থায়ী বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা। বন মামলা সমূহ ভ্রাম্যমাণ আদালত সৃষ্টি করে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা ও সামাজিক বনায়ন বাতিল করে প্রাকৃতিক বন রক্ষার দায়িত্ব তথা কমিউনিটি ফরেষ্ট্রি বা গ্রামবন পদ্ধতি চালু করার দাবি জানান।
পরে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি চিহ্নিত করার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৬:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১

টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চলে বসবাসকারী গারো-কোচ সম্প্রদায়দের উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ, আচিকমিচিক সোসাইটি, বাগাছাস, গাসু, জিএসএফ, আজিয়া, এসিডিএফ, কোচ আদিবাসী সংগঠন, জলছত্র হরিসভা, সিবিএনসি, ইআইপিএলআর, আবিমা আদিবাসী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ, পীরগাছা থাংআনি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডসহ ১৩ টি সংগঠনের ব্যানারে গড় এলাকার সহ¯্রাধিক গারো কোচ নারী পুরুষ ফেস্টুন ব্যানার হাতে নিয়ে রাস্তার দু পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাগাছাসের সভাপতি জন যেত্রার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক, জিএমএডিসির সভাপতি অজয় এ মৃ, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি উইলিয়াম দাজেল, আজিয়া সভাপতি মিঠুন হাগিদক, আচিকমিচিক সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সুলেখা ¤্রং, জিএসএফ’র সাধারণ সম্পাদক লিয়াং রিছিল, গাসু’র সভাপতি ইব্রীয় মানখিন, কোচ নেতা গৌরাঙ্গ বর্মন, বাগাছাস’র সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ, বাগাছাস নেতা শ্যামল মানখিন ও সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহম্মেদ নাসির, শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, ফুলবাগচালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু, বেরীবাইদ ইউপি চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন, অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম।
সমাবেশে বক্তারা ৬ দফা দাবি জানিয়ে বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি চিহ্নিত করা হোক। মধুপুর বনাঞ্চলের সংরক্ষিত, জাতীয় উদ্যান, ইকোপার্ক ঘোষণাকে বাতিল করে তাদের সাথে অর্থপূর্ণ আলোচনার ব্যবস্থা করা। ১৯৮২ সালের আতিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিল করে তাদের রেকর্ড জমির খাজনা নেওয়া বন্ধ আবার চালু করার ব্যবস্থা করা। তাদের স্বত্বদখলীয় ভূমি সমূহ স্থায়ী বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা। বন মামলা সমূহ ভ্রাম্যমাণ আদালত সৃষ্টি করে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা ও সামাজিক বনায়ন বাতিল করে প্রাকৃতিক বন রক্ষার দায়িত্ব তথা কমিউনিটি ফরেষ্ট্রি বা গ্রামবন পদ্ধতি চালু করার দাবি জানান।
পরে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ