মাত্র পাঁচ সেকেন্ড। এর মধ্যেই পেমেন্টের পুরো ব্যাপারটা হয়ে গেল। লস এঞ্জেলেসের ছোট একটি মেক্সিকান রেস্তোরাঁয় গিয়ে স্যান্ডউইচ অর্ডার দিলেন সারা স্টিওয়ার্ট। বিল পরিশোধ করতে গিয়ে দেখলেন তার মুখয়ব কাউন্টারের মনিটরে ভাসছে। ওই স্ক্রিনে বিলের পরিমাণ উল্লেখ করে তাকে শুধু একটি স্বাক্ষর দিতে হয়েছে। ব্যস, হয়ে গেল! তাকে ব্যাংকের কার্ড বের করতে হয়নি; বিলের অর্থটা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হলো।
রেস্টুরেন্টের খাবারের বিল থেকে শপিং মলের কেনাকাটার বিল, সবই দেওয়া যাবে এখন ফেসিয়াল রিকগনিজেশনের মাধ্যমে। বিজ্ঞানের এ যুগে আগের অনেক অসম্ভবই এ সময়ে এসে বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
কেনাকাটা বা বিল পরিশোধে কার্ডের জায়গাটি একদিন পুরোপুরি বায়োমেট্রিক বা মুখয়ব পদ্ধতির দখলে যাবে এমনটি বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এমন বাস্তবতা সুদূরের ভবিষ্যৎ মনে হলেও বা এর চল সীমিত পরিসরে হলেও ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। চীনের প্রধান কিছু শহরের বিপণিকেন্দ্রগুলোয় দিনে কয়েক লাখ পেমেন্ট হয় ফেসিয়াল রিকগনিশন পদ্ধতিতে।
যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক এমনকি নাইজেরিয়ার কয়েকটি জায়গায়ও পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরনের পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়েছে। এ পদ্ধতিতে একেক জনের স্বতন্ত্র মুখায়বকেই তার ডিজিটাল আইডেন্টিটি হিসেবে ব্যবহার হয়েছে, যার সঙ্গে ব্যাংক ও এ সংশ্লিষ্ট সিস্টেমের একরকম সংযোগ রাখা হয়েছে।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট।


























