০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এমপি’রা নাইটক্লাবে, ক্ষমা চাইলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

শাস্তির বিধান না থাকলেও করোনাকালে দেশবাসীকে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করেছে জাপান সরকার। তবে এই নিষেধাজ্ঞার ভেতরেই ক্ষমতাসীন দলের একাধিক এমপি নাইটক্লাবে যাওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।

করোনা সংক্রমণের এই জটিল সময়ে আইনপ্রণেতাদের এমন আচরণে সমালোচনার মুখে পড়ে ইয়োশিহিদে’র ক্ষমতাসীন জোট। শুধু তাই নয়, অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে করোনা মোকাবেলা করা হচ্ছে বলেও সমালোচকদের তোপের মুখে পড়েন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সংসদে সুগা বলেন, এ ঘটনায় তিনি অত্যন্ত লজ্জিত। যেখানে জনগণকে বাড়িতে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে, সেখানে প্রত্যেক আইনপ্রণেতার এমন আচরণ করা উচিত যাতে তাদের ওপর জনগণ আস্থা রাখতে পারেন।

নাইটক্লাবে যাওয়া এমপিদের একজন জুন মাতসুমোতো। তিনি সোমবার একটি ইতালিয়ান রেস্টুরেন্টে রাতের খাবারের পর দুইটি নাইট ক্লাবে যান। আরেকজন আইনপ্রণেতা কিয়োহিকো তোইয়ামাও নিজের কাণ্ডের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি গত শুক্রবার রাতে একটি নাইটক্লাবে যান।

এর আগে, চলতি মাসেই করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী টোকিওসহ আশেপাশের কয়েকয়টি অঞ্চলে একমাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে জাপানের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ। দেশটিতে করোনা রুখতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের আওয়তায় রেস্টুরেট ও বারগুলোকে রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। যদিও অনুরোধ না মানলে কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

উল্লাসের কিছু নাই, অনেক কাজ করতে হবে : ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

এমপি’রা নাইটক্লাবে, ক্ষমা চাইলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

শাস্তির বিধান না থাকলেও করোনাকালে দেশবাসীকে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করেছে জাপান সরকার। তবে এই নিষেধাজ্ঞার ভেতরেই ক্ষমতাসীন দলের একাধিক এমপি নাইটক্লাবে যাওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।

করোনা সংক্রমণের এই জটিল সময়ে আইনপ্রণেতাদের এমন আচরণে সমালোচনার মুখে পড়ে ইয়োশিহিদে’র ক্ষমতাসীন জোট। শুধু তাই নয়, অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে করোনা মোকাবেলা করা হচ্ছে বলেও সমালোচকদের তোপের মুখে পড়েন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সংসদে সুগা বলেন, এ ঘটনায় তিনি অত্যন্ত লজ্জিত। যেখানে জনগণকে বাড়িতে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে, সেখানে প্রত্যেক আইনপ্রণেতার এমন আচরণ করা উচিত যাতে তাদের ওপর জনগণ আস্থা রাখতে পারেন।

নাইটক্লাবে যাওয়া এমপিদের একজন জুন মাতসুমোতো। তিনি সোমবার একটি ইতালিয়ান রেস্টুরেন্টে রাতের খাবারের পর দুইটি নাইট ক্লাবে যান। আরেকজন আইনপ্রণেতা কিয়োহিকো তোইয়ামাও নিজের কাণ্ডের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি গত শুক্রবার রাতে একটি নাইটক্লাবে যান।

এর আগে, চলতি মাসেই করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী টোকিওসহ আশেপাশের কয়েকয়টি অঞ্চলে একমাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে জাপানের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ। দেশটিতে করোনা রুখতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের আওয়তায় রেস্টুরেট ও বারগুলোকে রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। যদিও অনুরোধ না মানলে কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স