০১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রিসোর্টে মদ সরবরাহকারী জহিদ মৃধা রিমান্ডে

গাজীপুরে একটি রিসোর্টে বিষাক্ত মদপানে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মদ সরবরাহের অভিযোগে জহিদ মৃধাকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।  

শুক্রবার দুপুরে (০৫ জানুয়ারি) পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম। গ্রেফতারের পর আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য শুক্রবার আদালতে আবেদন করে তাকে দুদিনের রিমান্ডে নিয়েছে গাজীপুর জেলা পুলিশ। তার সরবরাহ করা মদের বোতলগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল কি না, সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে পুলিশকে কিছু জানাননি। কার কাছ থেকে তিনি মদ নিয়ে সরবরাহ করেছিলেন, তাও জানতে পারেনি পুলিশ।

এর আগে ১ জানুয়ারি বিষাক্ত মদপানে নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে অজ্ঞাতদের আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তারও আগে ২৮ জানুয়ারি ঢাকার একটি সংস্থার ৪৩ জন কর্মকর্তা শ্রীপুরের রিসোর্টে আসেন। সেখানে মদপানে অসুস্থ হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন প্রায় ১৬ জন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা যান।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ব্যাপক তদন্ত চলছে। পুলিশ সুপার বলেন, রিসোর্টের কোনো স্টাফ এ বিষয়ে জড়িতে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রিসোর্টে মদ সরবরাহকারী জহিদ মৃধা রিমান্ডে

প্রকাশিত : ১০:১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

গাজীপুরে একটি রিসোর্টে বিষাক্ত মদপানে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মদ সরবরাহের অভিযোগে জহিদ মৃধাকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।  

শুক্রবার দুপুরে (০৫ জানুয়ারি) পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম। গ্রেফতারের পর আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য শুক্রবার আদালতে আবেদন করে তাকে দুদিনের রিমান্ডে নিয়েছে গাজীপুর জেলা পুলিশ। তার সরবরাহ করা মদের বোতলগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল কি না, সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে পুলিশকে কিছু জানাননি। কার কাছ থেকে তিনি মদ নিয়ে সরবরাহ করেছিলেন, তাও জানতে পারেনি পুলিশ।

এর আগে ১ জানুয়ারি বিষাক্ত মদপানে নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে অজ্ঞাতদের আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তারও আগে ২৮ জানুয়ারি ঢাকার একটি সংস্থার ৪৩ জন কর্মকর্তা শ্রীপুরের রিসোর্টে আসেন। সেখানে মদপানে অসুস্থ হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন প্রায় ১৬ জন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা যান।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ব্যাপক তদন্ত চলছে। পুলিশ সুপার বলেন, রিসোর্টের কোনো স্টাফ এ বিষয়ে জড়িতে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।