০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নাটোরে পাওনা টাকার জন্য বন্ধুকে হত্যা

পাওনা দুই হাজার টাকার জন্য নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের সুলতান ওরফে ইমনকে (৪০) গলা টিপে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন তারই বন্ধু ছানোয়ার হোসেন ওরফে ছানা। গ্রেফতার হওয়ার পর ছানোয়ার শনিবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

সুলতান হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এসব তথ্য তুলে ধরেন।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, জানুয়ারির ১৩ তারিখ চষুডাঙ্গা মাঠের গম ক্ষেতে সুলতানের লাশ পাওয়া যায়। লাশ উদ্ধারের সময় সুলতানের পকেট থেকে পাওয়া একটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্ত্রী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ঘটনার পর হত্যাকারীদের ধরতে বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খাইরুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম গঠন করা হয়।

তদন্তের সময় পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে হত্যাকারীকে সনাক্ত করে। সনাক্ত হওয়া ব্যক্তি নিহত ব্যক্তির বন্ধু একই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৪২)। তিনি দ্রুত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করায় তাকে ধরতে পুলিশ ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া, পঞ্চগড়, সৈয়দপুর, রংপুর ও জামালপুরে অভিযান পরিচালনা করেন। অবশেষে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেফতারের পর তিনি প্রথমে পুলিশের কাছে, পরে আদালতে সুলতানকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাটোরে পাওনা টাকার জন্য বন্ধুকে হত্যা

প্রকাশিত : ১০:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

পাওনা দুই হাজার টাকার জন্য নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের সুলতান ওরফে ইমনকে (৪০) গলা টিপে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন তারই বন্ধু ছানোয়ার হোসেন ওরফে ছানা। গ্রেফতার হওয়ার পর ছানোয়ার শনিবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

সুলতান হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এসব তথ্য তুলে ধরেন।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, জানুয়ারির ১৩ তারিখ চষুডাঙ্গা মাঠের গম ক্ষেতে সুলতানের লাশ পাওয়া যায়। লাশ উদ্ধারের সময় সুলতানের পকেট থেকে পাওয়া একটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্ত্রী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ঘটনার পর হত্যাকারীদের ধরতে বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খাইরুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম গঠন করা হয়।

তদন্তের সময় পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে হত্যাকারীকে সনাক্ত করে। সনাক্ত হওয়া ব্যক্তি নিহত ব্যক্তির বন্ধু একই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৪২)। তিনি দ্রুত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করায় তাকে ধরতে পুলিশ ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া, পঞ্চগড়, সৈয়দপুর, রংপুর ও জামালপুরে অভিযান পরিচালনা করেন। অবশেষে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেফতারের পর তিনি প্রথমে পুলিশের কাছে, পরে আদালতে সুলতানকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।