সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা ৬০ কোটি টাকা মূল্যের ৬৬ শতাংশ জমিসহ গত ছয় মাসে ২০০ কোটি টাকার সরকারি উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি রোববার সকালে শহরের জেলা সদর সড়কের আকুরটাকুর পাড়া এলাকায় আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা ৬৬ শতাংশ অভিযান চালিয়ে এ জমি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জেলার ১২টি উপজেলায় ১০৯ দশমিক ৪৯ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। যার মূল্য ১৪২ কোটি ২৪ লাখ ৩৬ হাজার ৩৪ টাকা। এর মধ্যে মধুপুরে ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭৬ হাজার ২৪৬ টাকা মূল্যের ১৩ দশমিক ৭৫ একর, ধনবাড়ীতে ৬৭ লাখ ৮৩ হাজার ৮২৮ টাকা মূল্যের ৩ দশমিক ৩৫ একর, গোপালপুরে ৯৭ লাখ ১২ হাজার ৬০৪ টাকা মূল্যের ১ দশমিক ৮১ একর, ভূঞাপুুরে ২ কোটি ১১ লাখ ২৩ হাজার ৭৪৫ টাকা মূল্যের ১০ দশমিক ০০৫ একর, ঘাটাইলে ১১ কোটি ৮৮ লাখ ১২৬ টাকা মূল্যের ২৯ দশমিক ০৬ একর, কালিহাতীতে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ২ দশমিক ৯৫ একর, টাঙ্গাইল সদরে ৬৯ কোটি ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৭১ টাকা মূল্যের ৪০ দশমিক ০৫ একর, দেলদুয়ারে ৬২ লাখ ৫৮ হাজার ২৭৬ টাকা মূল্যের ১ দশমিক ০১ একর, মির্জাপুরে ৫০ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের দশমিক ৯১৮ একর, নাগরপুরে ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৬ টাকা মূল্যের ৩ দশমিক ৪৪ একর, বাসাইলে ২৮ লাখ ৯৬ হাজার ৩০২ টাকা মূল্যের ১ দশমিক ০৬ একর ও সখীপুরে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৭০ টাকা মূল্যের ২ দশমিক ০৭ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের দখলে থাকা সরকারি ও ‘ক’ তফসিলভুক্ত জমি অবৈধ দখল মুক্ত করে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি মাত্র। জেলা যোগদানের ৬ মাসের মধ্যেই ১৭৫ একর সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ২০০ কোটি টাকা। তিনি জানান, অবৈধ দখলমুক্ত করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















