ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ৩০ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের লজ্জাজনক ভরাডুবির মূলে দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দলের প্রার্থী নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত কে অনেকে দায়ী করছেন। কোটচাঁদপুর পৌর সভার ১৩৮ বছরের ইতিহাসে আওয়ামীগের কোন প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে পৌর চেয়ারে বসতে পারেননি। এবার ৩০ জানুযারী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রার্থীর বিজয়ী হবার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দেয়। এই অবস্থয় নেতারা বিজয়ের বিষয়ে চরম আত্মবিশ^াসী হয়ে উঠে। কিন্তু নৌকার বিপুল নেতা, কর্মী ও সমর্থক থাকার পরও নেতারা প্রার্থী নির্বাচনে মাঠ পর্যয়ের ভোটারদের নাড়ির খবর জানতে ভুল করে। বিএনপি-জামায়াতের ঘাঁটি বলে বিবেচিত কোটচাঁদপুর উপজেলায় ক্ষমতাসীন দলের যে সাংগঠনিক দুরবস্থা তা নির্বাচনের ফলাফলে আবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একাধীক গ্রæপ, দলের ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন আর কেউ কাউকে ছাড় না দেয়ার সাংস্কৃতিই এখানে আওয়ামীলীগ কে ডুবিয়েছে এমনই অভিমত তৃনমূল আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক নেতাকর্মী বলেন, নির্বাচনে দল মনোনীত প্রার্থীর শোচনীয় পরাজয়ই শুধু না, জামানত খোয়ানোতে আওয়ামীলীগের সংগঠনিক দুর্বলতার ছবি ফুঁটে উঠেছে, তেমনি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের দলাদলী আর পরস্পর অবিশ^াস পরিস্কার হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে নৌকার পরাজয়ে অনেকে বলছেন, ৩০ জানুযারী স্মরণ কালের এ ফেয়ার নির্বাচনে নৌকা হেরেছে, আওয়ামীলীগ জিতেছে!
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















