সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের বাইপাস রোড থেকে তুজলপুর দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার এলাকায় শতাধিক যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আজ রবিবার ৭ ফেব্রুয়ারি রাস্তার ওপর পড়ে থাকা মাটি হালকা বৃষ্টিতে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় এসব যানবাহন দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনের মধ্যে রয়েছে ভারী ট্রাক, বাস, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটর সাইকেল, ইজিবাইক, ইট বহনকারী ট্রলি, নসিমন, করিমন ও আলমসাধু।
মহাসড়কের দুই পাশে স্টার ইটভাটা, নিট ইটভাটা, এসবি ইটভাটা, ঠিকানা ইটভাটা, সনি ইটভাটা এবং এএস ইটভাটা অবস্থিত। এসব ইটভাটায় মৌসুমের শুরু থেকেই ট্রলি ও হল্লা গাড়িতে করে ইট তৈরির জন্য মাটির মজুদ করা হয়। ট্রলি ও হল্লা গাড়ি চলাচলের সময় রাস্তার ওপরে মাটি পড়ে। এভাবে রাস্তার ওপর আধ ইি , কোথাও ১ ইি পরিমাণ মাটিতে ঢেকে যায়। রোববার ভোররাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। দিনভর হালকা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে রাস্তার ওপরের মাটি গলে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। ফলে মহাসড়কের বাইপাস রোড থেকে তুজলপুর পর্যন্ত শতাধিক ভারী ট্রাক, বাস, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটর সাইকেল, ইজিবাইক, ইট বহনকারী ট্রলি, নসিমন, করিমন ও আলমসাধু দুর্ঘটনার শিকার হয়। রাস্তায় চলাচলের সময় পিছলে কেউ রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। কেউ পড়ে রাস্তার খাদে। আবার কেউ পড়ে মুখোমুখি সংঘষের্র কবলে। অসংখ্য মোটর সাইকেল যাত্রী রাস্তার ওপরে পড়ে কাদামাটি মেখে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়।
এদিকে মহাসড়কের মাধবকাটি-রামেরডাঙ্গা সংযোগ সড়কে ভাটার মাটিতে কাদা হওয়ায় পাম্পসেট দিয়ে মাটি ব্যবসায়ীদের পানি দিতে দেখা যায়। সকাল থেকে এভাবে মাটি ব্যবসায়ীরা কাদামাটি ধুয়ে ফেলার ব্যার্থ চেষ্টা করে। এতে কোনো ফল হয়নি।
ইটভাটার মালিকরা বলছেন মাটিতে মহাসড়কসহ যেসব রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটছে এর দায়িত্ব তারা নেবেন না। তাদের দাবি, রাস্তার মাটি পড়বে কি পড়বে না এর দায়িত্ব মাটি ব্যবসায়ীদের। আমরা টাকা দিয়ে মাটি কিনে থাকি। মাটি ভাটায় কিভাবে পৌঁছাবে আমরা ওসব জানি না। মাটির কারণে রাস্তায় কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তা দেখার দায়িত্ব প্রশাসনের।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















